Glad Tidings Bible Studies on John's Gospel

Note: In the fourth column are the rankings of the questions. The easiest ones are marked with one *, fairly easy ones with ** and somewhat difficult ones with ***.

Introduction
1. কালাম-ই আল্লাহ ছিলেন। ইউহোন্না ১:১-১৮
***
2. ২ আমরা মশীহকে খুঁজে পেয়েছি (ইউহোন্না ১:৪৩-৫১)
**
3. ৩ পানি আঙ্গুর রসে পরিণত হল (ইউহোন্না ২:১-১)
**
4. চাবুক হাতে হজরত ঈসা (ইউহোন্না ২:১৩-২২)
***
5. ৫ফরিশী এবং ব্রোঞ্জের সাপ (ইউহোন্না ৩:১-১৬)
**
6. ৬ জীবন্ত পানি (ইউহোন্না ৪:৫-১৯)
*
7. ৭ চিহ্ন, কেরামতী কাজ এবং ঈমান (ইউহোন্না ৪:৪৬-৫৪)
**
8. ৮ সকলের দ্বারা পরিত্যক্ত (ইউহোন্না ৫:১-১৮)
*
9. জীবন রুটি (ইউহোন্না ৬:১-১৫)
**
10. অপ্রকাশিত মশীহ (ইউহোন্না ৭ঃ৪০-৫২)
***
11. বিচারক হিসাবে ঈসা(আঃ) (ইউহোন্না ৮:১-১১)
*
12. দুনিয়ার নূর (ইউহোন্না ৯:১-৪৩)
**
13. ভাল রাখাল (ইউহোন্না ১০:১-১৬)
***
14. পুনরুত্থান ও জীবন (ইউহোন্না ১১:১-৪৬)
**
15. একটি মৃত গমের বীজ (ইউহোন্না ১২:২০-৩৩)
***
16. গোলামের মত প্রভু (ইউহোন্না ১৩:১-১৭)
**
17. পথ, সত্য আর জীবন (ইউহোন্না ১৪:১-১১)
***
18. আসল আঙ্গুর গাছ (ইউহোন্না ১৫:১-১১)
***
19. দুঃখ আনন্দে পরিণত হবে (ইউহো্ন্না ১৬:২০-৩৩)
***
20. নিজের জন্য ঈসা মশীহের মোনাজাত (ইউহোন্না ১৭:১৩-২১)
***
21. ঈসা গ্রেফতার হলেন (ইউহোন্না ১৮:১-১৪)
**
22. শেষ হয়েছে (ইউহোন্না ১৯:২৫-৩০)
**
23. শূন্য কবরের বাইরে (ইউহোন্না ২০:১১-১৮)
**
24. দেখিনি তাই বিশ্বাস করিনি (ইউহোন্না ২০:১৯-২৯)
**
25. তুমি কি আমাকে মহব্বত কর? (ইউহোন্না ২১:১৫-১৯)
**

Print/view all lessons

© 2005 Glad Tidings Mission


ভূমিকা

মুক্তিবারতা-তিন এর মাধ্যমে আপনি অন্যদের নিকট ইসা মসিহের পরিচয় তুলে ধরতে পারেন৷ আপনার বন্ধুদেরকে দাওয়াত করুন, যেন ইউহোন্নার সিপারাটি তাঁরাও আপনার সঙ্গে পাঠ করেন৷ কিতাবুল মোকাদ্দস সম্পর্কে পূর্বধারনা না-থাকলেও এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে মুক্তিবারতা-তিন এ অংশগ্রহণকারীদেরকে পরিচালনা করা কঠিন নয়৷

শিক্ষানির্দেশক অবশ্যই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন না, তিনি শুধু প্রশ্নগুলো পাঠ করলেই যথেষ্ট৷ তারপর তিনি পাকরুহের ওপর নির্ভর করতে পারেন, যেন পাককিতাব উপলব্ধি করার জন্য সকলের অন্তর খুলে যায়৷

একেকটি পাঠ শেষ করতে সবের্াচ্চ দেড় ঘন্টার চেয়ে বেশি সময় নেয়া ঠিক নয়৷ সময়মত শুরু এবং শেষ করুন৷ এটা জরুরি, তা না হলে ব্যস্তলোকেরা অংশগ্রহণ করা বন্ধ করে দিতে পারে৷

আপনি যদি প্রথমবারের মত মুক্তিবারতা-তিন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সহজ পাঠগুলো থেকে শুরু করতে পারেন৷ প্রতিটি পাঠ শুরুর পূর্বে শিরোনামে উল্লেখিত কিতাবের অংশটুকু মনোযোগ দিয়ে পাঠ করুন৷ আপনি এ-পাঠগুলো থেকে শুরু করতে পারেন- জীবন রুটি (৯); খাঁটি আঙ্গুর রস (১৮); আমরা মসীহের দেখা পেয়েছি (২)৷

আপনি যদি দেখেন যে, কোন পাঠে অনেক প্রশ্ন রয়েছে, তাহলে অবশ্যই আপনাকে সবগুলো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে হবে না৷ তবে কিছু-কিছু প্রশ্ন বাদ দিলেও পাঠ শেষের প্রশ্নগুলো বাদ দেবেন না, এর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে৷ আমরা প্রতি পাঠের শেষেই একটি উপসংহার টানতে চেষ্টা করেছি৷ কিতাবে শুধু এই কথাই বলা নেই যে, আল্লাহ্তা'লা মহব্বত; সে-সংগে গুনাহ্গারদের প্রতি মহব্বত করার জন্য আল্লাহ্তা'লাকে যে কতটুকু মূল্য দিতে হয়েছে, সে-কথাও বলা আছে৷

দল গঠনে মুক্তিবারতা-তিন আপনাকে তিনভাবে সাহায্য করতে পারে: (১) ক্ষুদ্র দল গঠনে কার্যকরী কর্মসূচী দান করা; (২) নেতৃত্ব গঠনে শক্তিশালী করে তোলা এবং (৩) ইসা মসিহের বিষয়ে তবলিগ করা৷

প্রকাশক
সেপ্টেম্বর, ২০০৩; ঢাকা৷

© 2005 Glad Tidings Mission

কালাম-ই আল্লাহ ছিলেন। ইউহোন্না ১:১-১৮


নোট ঃ (ক) যদি আপনার কিতাব অধ্যয়নের দলে এমন কেউ থাকেন যিনি এখনও কিতাবুল মোকাদ্দস সম্বন্ধে যথেষ্ট জানেননা, তাহলে আমাদের পরামর্শ হল, আপনি এই অধ্যয়ন দিয়ে প্রথমে শুরু করবেন না। এটি নতুন ঈমানদারদের জন্য বেশ কঠিন। (খ) বন্ধনী চিহ্নের মধ্যের প্রশ্নগুলি তখনই করা উচিৎ যখন কেউ আগের প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারবে না।

১. কালাম ( ১-৩, ১৪)
  • এই চারটি আয়াত এর অর্থ আপনি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করুন।
  • যখন দুজন ব্যক্তি একে অন্যের সাথে সহভাগিতা বিনিময় করে তখন সেখানে 'কালাম' কি গুরুত্ব বহন করে ?
  • কেন ঈসায়ী ঈমানে 'কালাম' সবচয়ে, এমনকি অভিজ্ঞতার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ?
  • যদি আমাদের মধ্যে আল্লাহর কালাম না থাকে, তাহলে আমরা কিভাবে আল্লাহকে জানতে পারি ?
  • কেন ঈসা মশীহকে আল্লাহর কালাম বা কালেমাতুল্লাহ বলা হয়?

    ২. নূর (আয়াত ৪-১০)
  • ৪-৫ আয়াতের মানে কি?
  • নূরের মধ্যে এমন কি আছে যা ঈসা (আঃ)-র সাথে মিল আছে ?
  • 'অন্ধকার নূরকে জয়কে করতে পারেনি'- একথার অর্থ কি ? (আয়াত ৫ এবং এই অধ্যয়নের শেষে দেয়া সারাংশ দেখুন)
  • যদিও ঈসা অন্ধকারের মধ্যে নূরের মত জ্বলছিলেন তবুও দুনিয়ার মানুষ কেন তাকে চিনতে পারেনি? (১০ আয়াত)

    ৩. তরিকাবন্দিদাতা ইয়াহিয়া (আয়াত ৬-৮)
  • উপরের আয়াত অনুসারে হজরত ইয়াহিয়ার ভূমিকা কি ছিল ?
  • তরিকাবন্দীদাতা ইয়াহিয়া নিজে যে সেই নূর ছিলেন না, একথা বলার অর্থ কি?
  • হজরত ইয়াহিয়া কিভাবে নিজেকে এত নম্র রাখতে পারলেন যে তিনি নিজেকে 'নূর' হিসাবে দাবী করার কোন চেষ্টা করলেন না ?
  • আল্লাহর রাজ্যে হজরত ইয়াহিয়ার ভুমিকা এবং আপনার নিজের ভূমিকা সম্বন্ধে তুলনা করুন।

    ৪. দুনিয়া এবং আল্লাহর সন্তানেরা (৯-১৩)
  • উল্লেখিত আয়াত অনুসারে 'দুনিয়া' কেমন জায়গা ?
  • কিতাবের এই অংশ অনুসারে কিভাবে একজন ব্যক্তি আল্লাহর সন্তান হতে পারে ? ( কোন ব্যক্তি কেন স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে জন্ম হবার মধ্য দিয়ে আল্লাহর সন্তান হয় না ?)
  • আপনি কি ইতোমধ্যেই আল্লাহর সন্তান হয়েছেন ? যদি হয়ে থাকেন, তাহলে কিভাবে? ( আপনি এখানে নিজ সাক্ষ্য তুলে ধরতে পারেন)

    ৫. হজরত ইয়াহিয়ার সাক্ষ্য (১৫-১৮)
  • তরিকাবন্দীদাতা ইয়াহিয়া ঈসা মশীহের সম্বন্ধে কি সাক্ষ্য দিয়েছেন তা নিজের ভাষায় বলুন।
  • আপনি কি এই সাক্ষ্য বহন করতে পারেন যে ১৬ আয়াতটি আপনার জীবনেও সত্য?
  • ইউহোন্না কিতাব অনুসারে, একমাত্র কিভাবে আমরা আল্লাহকে জানতে পারি ?
  • ইহুদী , মুসলমান ও খ্রীষ্টান সবার একই আল্লাহ, কিতাবের এই অংশের আলোকে এই দাবী সম্বন্ধে আপনি কি মনে করেন ?
    সুখবর : হজরত ঈসা ও কালাম এক এবং অভিন্ন। আপনি যদি পাক কিতাবের কালাম আপনার জীবনে গ্রহণ করেন, তাহলে আপনি ঈসাকেই গ্রহণ করেন। আপনি যদি কিতাবুল মোকাদ্দসকে প্রত্যাখান করেন তাহলে আপনি ঈসাকেই প্রত্যাখান করবেন। ঈসা মশীহের কালাম হলো নূর, যা এমনকি এখনও আপনার অন্ধকার জীবনে আলো জ্বেলে দেয়। আপনি শুধুমাত্র এই কালাম থেকেই 'রহমতের উপর রহমত' লাভ করতে পারেন।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    ২. আমরা মশীহকে খুঁজে পেয়েছি (ইউহোন্না ১:৪৩-৫১)


    পটভূমি ঃ মানচিত্রে বেথানিয়া(১ঃ২৮), বৈৎসৈদা (১ঃ৪৪) এবং নাসরত কোথায় অবস্থিত তা বের করুন। কিতাবুল মোকাদ্দসে মশীহ সম্পর্কিত ভবিষ্যতবানীতে নাসরত এর নাম উল্লেখ করা নেই। কিন্তু 'শাখা' শব্দটি ইব্রানী শব্দ 'নাজারীণ' এর সমরূপ শব্দ (যিশাইয়.১১:১, ৫৩:২, যিরমিয়.২৩:৫, ৩৩:১৫) । কিতাব আলোচনার পরিচালনাকারী অবশ্যই ইয়াকুব(আঃ) এর সিঁড়ি-র (পয়দায়েশ ২৮ঃ১০-১২) ঘটনাটি পড়ে নেবেন কারণ শেষ প্রশ্নটি এই ঘটনা থেকেই উল্লেখ করা হয়েছে।

    ১. কিছুক্ষণ আগে পরিচয় হয়েছে এমন একজন বন্ধুকে কেন হজরত ফিলিপ ঈসা মশীহের সম্পর্কে বলতে চাইলেন ? (৪৩-৪৫)
  • সেই দিনের কথা চিন্তা করুন যেদিন আপনি প্রথম ঈসা মশীহের কাছে এসেছিলেন। আপনি মশীহের কাছে এসে কি পেয়েছেন তা কি অন্যদের কাছে বলেছিলেন ? ব্যাখ্যা করুন যে সেদিন কেন আপনি এরকম অনুভব করেছিলেন ?
    ২. ফিলিপের কথাগুলো নথনেলের মধ্যে কি সন্দেহ তৈরী করেছিল ?
  • তারপরও কেন নথনেল ঈসাকে দেখার জন্য গেলেন ?
    ৩. হজরত ঈসা নথনেলকে যে কথা দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন তার মধ্য দিয়ে তিনি আসলে কি বুঝাতে চেয়েছিলেন ?
  • আপনার কি মনে হয়, ঈসার এই শুভেচ্ছা শুনে নথনেলের কেমন লেগেছিল ?
  • যদি ঈসা(আঃ) আজকে আপনাকে বলেন," এই দেখ একজন সত্যিকারের ঈসায়ী ঈমানদার, তার মনে কোন ছলনা নেই" - তাহলে আপনার কেমন লাগবে ?
    ৪. ডুমুরগাছের নীচে যা হয়েছিল তা যে ঈসা মশীহ জানেন, নথনেল তা শুনে সত্যিই আশ্চর্য হয়েছিলেন। নথনেল সেখানে কি ভাবছিলেন বা মোনাজাত করছিলেন বা আরো কিছু সম্ভাব্য ধারনার কথা চিন্তা করুন।
    ৫. সমপ্রতি আপনি কোন একটা সময়ে একা কাটিয়েছেন এরকম সময়ের কথা স্মরণ করুন। এটা ভাবতে আপনার কেমন লাগবে যে, ঈসা মশীহ সেখানে ছিলেন এবং তিনি একটি খোলা বইয়ের মত আপনার সমস্ত চিন্তা বা ধারণাকে পড়ে ফেলেছেন ?
  • মানুষ যদি বুঝতে পারে যে অন্য কেউ তাদের ভিতরের সত্ত্বাকে দেখতে পাচ্ছে, তাহলে তা কেমন হবে বা এর অর্থ কি হতে পারে ?
    ৬. হজরত ঈসা-র কথাগুলো জবূর শরীফ ৩২ঃ১-২ আয়াত এর শেষ উদ্ধৃতি থেকে নেয়া হয়েছে (পরিচালনাকারী এই ২টি আয়াত পড়তে পারেন)। এই আয়াতগুলো অনুসারে, কিভাবে একজন ব্যক্তি এমন খাঁটি হতে পারে যে তার অন্তরে কোন ছলনা থাকে না ?
    ৭. কিসের উপর ভিত্তি করে নথনেল হঠাৎ করে ঈসা মশীহকে ইব্নুল্লাহ এবং বনি ইস্রায়েলের বাদশাহ্ বলে সম্বোধন করলেন ?
    ৮. কিতাব অধ্যয়ন পরিচালনাকারী এখানে পয়দায়েশ ২৮ঃ১০-২২ আয়াত এর একটি সারাংশ বলতে পারেন। ৫০ এবং ৫১ আয়াত এর মধ্য দিয়ে ঈসা(আঃ) এখানে কি বুঝাতে চেয়েছেন? বিভিন্ন ধরণের ধারণা বা ব্যাখ্যাগুলো আলোচনা করুন।
  • হজরত ঈসার ক্রুশের সাথে ইয়াকুব (আঃ) এর সিঁড়ির কি মিল বা সাদৃশ্য রয়েছে ?



    © 2005 Glad Tidings Mission

    ৩. পানি আঙ্গুর রসে পরিণত হল (ইউহোন্না ২:১-১)


    পটভূমি ঃ ঈসা মশীহের সময়ে বিয়ে শাদি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠান ছিল। সাধারণতঃ এই অনুষ্ঠান বেশ কয়েকদিন ধরেই চলত। নাসরত এবং কান্না গ্রামের দুরত্ব ছিল মাত্র ১২ কিলোমিটারের মত। ঈসা মশীহের মা এখানে তাঁর ছেলের প্রথম কেরামতী কাজ দেখার অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন, কিন্তু তার আগে তিনি নিজেই কুমারী অবস্থায় সন্তান ধারণ করার মত কেরামতী কাজের অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন।
    ১. এই বিয়ের অনুষ্ঠানে আঙ্গুর রস শেষ হয়ে যাবার কি কারণ ছিলো ? বিভিন্ন ধারণাগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
  • এই পরিস্থিতিতে কোন বিষয়টি বিয়েবাড়ির লোকজনদেরকে বা নতুন বর-কনেকে চিন্তিত করে তুলেছিল?
    ২. আপনার কি মনে হয় বিবি মরিয়ম বিয়েবাড়ীতে কি এই অলৌকিক কাজ দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলেন? আপনার ধারণাগুলো আলোচনা করুন।
  • আয়াত ৩ এ ঈসা মশীহের কাছে বিবি মরিয়মের একটি মোনাজাত রয়েছে। এই মোনাজাতের সাথে আপনার মোনাজাতের তুলনা করুন এবং খুঁজে বের করুন যে তার মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে ?
    ৩. যখন ঈসা তাঁর মায়ের কথামতো কাজ করতে অসম্মত হলেন, তখনও বিবি মরিয়ম কেন আশা ছেড়ে দেননি (৪)?
  • এক্ষেত্রে সন্তান সম্পর্কে বিবি মরিয়মের কি বিশ্বাস ছিল ?
  • ঈসা মশীহ কেন এমন একটি কেরামতী কাজ করলেন যা করার জন্য প্রকৃতপক্ষে তিনি প্রস্তুত ছিলেন না?
    ৪. কোন ধরণের পরিস্থিতিতে বিবি মরিয়মের মত আমাদেরও এমন ঈমান ধরে রাখা প্রয়োজন ?
    ৫. বিয়ের ভোজের মধ্যবতর্ী ব্যস্ততম মূহুর্তে গ্রামের কুয়া থেকে কয়েকশ' লিটার পানি তুলে আনার সময় চাকরেরা কি ভাবছিল বলে আপনার মনে হয় ?
  • চাকরেরা কেন ঈসা মশীহের কথামতো কাজ করেছিল ?
    ৬. আঙ্গুররস দিয়ে ভাল পানীয় তৈরী করতে কত বছর সময় লাগে ?
  • বর্তমান সময়ে ঐ পরিমাণের আঙ্গুরসের পানীয় তৈরী করতে কত টাকা খরচ হবে ? (আয়াত ৬)
    ৭. যখন চাকরেরা বুঝতে পেরেছিল যে পানি আঙ্গুরসে পরিণত হয়েছে, তখন তারা কি অনুভব করেছিল বলে আপনার কি মনে হয় ?
  • আপনার কি মনে হয় যে সমন্ত চাকরেরা এই ঘটনা দেখে ঈসা মশীহের উপর ঈমান এনেছিল? আপনার ধারণাগুলো আলোচনা করুন।
    ৮. কিতাবুল মোকাদ্দসে 'মহিমা' বলতে আমাদের দৈহিক চোখের সামনে আল্লাহর উপস্থিতিকে বোঝানো হয়েছে। আল্লাহর মহিমা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল আবাস তাম্বু এবং এবাদতখানায়। তাহলে ' ঈসা চিহ্ন হিসাবে এই প্রথম কেরামতী কাজ করে নিজের মহিমা প্রকাশ করলেন'- এই কথার তাৎপর্য কি ?(আয়াত ১১)
  • কেন হজরত ইউহোন্না তার সুখবর এ ঈসা মশীহের কেরামতী কাজগুলোকে 'কেরামতী কাজ' না বলে 'চিহ্ন' বলতে চান ?
  • পরবর্তী সময়ে ইউহোন্না বলেছেন যে, ' ঈসা মশীহের যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে আল্লাহর মহিমা প্রকাশিত হয়েছে'- এই কথার মানে কি ?
    ৯. এই চিহ্ন দেখার পরে সাহাবীদের ঈসার সম্পর্কে কি বিশ্বাস জন্মেছিল ?
  • কেন সাহাবীদের ঈমান তখনও মজবুত হয়নি ?
    সুখবর : কিতাবুল মোকাদ্দসে আঙ্গুর রসের সাথে একজন শাসকের যোগসূত্র রয়েছে যিনি এহুদিয়া থেকে আসবেন। " যতদিন না শীলো আসেন......ততদিন রাজদণ্ড এহুদারই বংশে থাকবে..... আঙ্গুর রসে সে তার কাপড় কাচবে, আর আঙ্গুরের রাঙ্গা রসে কাচবে পোশাক (পয়দায়েশ ৪৯ঃ১০-১১)। ইঞ্জিল শরীফে আঙ্গুররসকে ঈসা মশীহের রক্ত হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে যা আমাদের গুনাহ্ থেকে ক্ষমালাভের জন্য পাতিত হয়েছে।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    চাবুক হাতে হজরত ঈসা (ইউহোন্না ২:১৩-২২)


    পটভূমি ঃ এবাদতখানা ছিল ইহুদিদের জন্য দুনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান, এমনকি তাদের নিজেদের বাড়ীর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম এবাদতখানা তৈরী করেছিলেন বাদশাহ্ সোলায়মান(আঃ), আর দ্বিতীয়বার হজরত উযায়ের। ঈসা মশীহের সময়ের এবাদতখানাটি ছিল এক সুদৃশ্য ইমারত যা মহান বাদশাহ্ হেরোদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ঈসা মশীহের ক্রুশীয় মৃতু্যবরণের পর এটি মাত্র ত্রিশ বা চলি্লশ বছর জেরুজালেম এ টিকে ছিল।

    ১. ১৪-১৬ আয়াত পাঠ করুন। ঈসা মশীহের স্বভাবের কোন দিকটি আপনাকে বিস্মিত করে?
  • দড়ি থেকে চাবুক তৈরী করতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। আপনার কি মনে হয়, এই কাজটি করার সময় হজরত ঈসাকে কেমন দেখাচ্ছিল? (আয়াত ১৫)
  • চিন্তা করুনতো, ১৫ আয়াতে যে ঘটনার কথা উল্লেখ আছে তা ঘটার সময় সেখানে কেমন আওয়াজ শোনা গিয়েছিল ?
    ২. ঈসা মশীহ যখন টেবিলগুলো উল্টিয়ে ফেলছিলেন এবং হাতের চাবুক ঘুরাচ্ছিলেন তখন কেউ তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেনি কেন?
  • আসলে কোন বিষয়টির প্রতি ঈসা(আঃ) এত ক্ষুব্ধ ছিলেন ?
    ৩. আপনি কি মনে করেন যে, এই বর্তমান সময়েও আমাদের এবাদতখানা বা জামাতগুলো ব্যবসার স্থান হয়ে উঠতে পারে? আপনার চিন্তাগুলি বলুন।
  • এবাদতখানায় কোরবানী দেয়া হতো যেন যারা এই কোরবানী দেয় তারা তাদের গুনাহ্ থেকে মাফ পেতে পারে। আল্লাহর মূল উদ্দেশ্যের সাথে সঙ্গতি বা সম্পর্ক না রেখে কিভাবে এই নিয়মটি কলুষিত হয়ে গেছে ?
    ৪. কিতাবুল মোকাদ্দসের আল্লাহ কেন শুধুমাত্র লোকদেখানো ধমর্ীয় অনুষ্ঠান ঘৃণা করেন ?
  • আপনি আপনার ব্যক্তিগত এবাদত, মোনাজাত, ইত্যাদির কথা চিন্তা করুন। এগুলির কতটুকু আপনার কাছে শুধুমাত্র লোক দেখানো মনে হয় ?
  • আপনার দিলের এবাদতখানার কোন কোন জিনিষ আজ ঈসা মশীহের মাধ্যমে পরিস্কার করা উচিৎ ? (আপনি নিজেকেই উত্তর দিতে পারেন)
    ৫. ঈসার রাগ আর আমাদের রাগের মধ্যে পার্থক্য কি (১৬-১৭) ?
    ৬. আজকের এই অংশে, ঈসা মশীহ আল্লাহর এবাদতখানার সাথে তাঁর নিজের দেহকে এবাদতখানা হিসাবে চিহ্নিত করেছেন (১৯-২১)। কেন মাবুদ আল্লাহকে এই দুনিয়াতে আরেকটি এবাদতখানা তৈরী করতে হয়েছিল ? (ক্রুশে মৃত্যুবরণের মাধ্যমে হযরত ঈসা এবাদতখানার কোন কাজটি সম্পন্ন করেছেন ?)
    ৭. চিন্তা করুন যে, কি কি কারণে ঈসা মশীহের ক্রুশে মৃতু্যবরণের ত্রিশ অথবা চলি্লশ বছর পর মাবুদ আল্লাহ রোমীয়দেরকে হেরোদের তৈরী এবাদতখানাটি ধ্বংস করতে দিয়েছিলেন ? (কেন জেরুজালেমের এবাদতখানার আর প্রয়োজন নেই?)
    ৮. এবাদতখানা হিসাবে ঈসা মশীহের দেহ শুধু তাঁর ক্রুশীয় মৃতু্যর কথাই প্রকাশ করে না, কিন্তু এখন দুনিয়ার ঈসায়ীদের জামাতের এবাদতখানার কথাও প্রকাশ করে (১ করি ১২:২৭)। আপনার কি মনে হয় যে, বর্তমান সময়ে জামাতগুলোতেও কি এরকম সংস্কার প্রয়োজন যা ঈসা মশীহ সেদিন যেরুজালেমের এবাদতখানায় করেছিলেন ? আপনার উত্তরগুলি বলুন।
  • কি ধরণের পরিস্থিতিগুলোতে জামাতের একজন নেতার চাবুক ঘোরানো উচিৎ ?

    সুখবর : ঈসা মশীহ আপনার জন্য একটি এবাদতখানা হয়েছেন। যেখানে আপনার গুনাহের প্রতিকার হয়েছে। শুধুমাত্র এবাদতখানাই নয়, কিন্তু কোরবানীও হয়েছেন। তিনি আল্লাহতায়ালার দেয়া সেই ভেড়া যিনি দুনিয়ার সমস্ত গুনাহের ভার তুলে নিয়েছেন।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    ৫.ফরিশী এবং ব্রোঞ্জের সাপ (ইউহোন্না ৩:১-১৬)


    পটভূমি ঃ যদিও নীকদীম ধমর্ীয় বিষয়ে একজন তথাকথিত নামধারী ছিলেন, তবুও অদেখা আল্লাহর রাজ্যে তিনি কখনও প্রবেশ করেননি। এটি একটি আশ্চর্যের বিষয় ছিল যে নীকদীম এ বিষয়ে ঈসা মশীহের সাথে আলোচনা করতে এসেছিলেন যিনি তার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট এমনকি শিক্ষা ও সামাজিক মর্যাদায় তার সমপর্যায়ের ছিলেন না। নীকদীম ইস্রায়েলের মহাসভার সদস্য ছিলেন যা বর্তমান সময়ের সংসদ সদস্যদের পর্যায়ে পড়ে।

    ১. এই অংশ থেকে আপনি নীকদীমের চরিত্রের দূর্বল ও মজবুত কি কি দিক দেখতে পান? (দিনের বেলায় না এসে রাতের বেলায় ঈসার সাথে দেখা করতে আসার মধ্য দিয়ে এখানে নীকদীমের সম্পর্কে কি ধারণা প্রকাশ পায় ?)
  • নীকদীম কি বিষয়ে ঈসা মশীহের সাথে কথা বলতে এসেছিলেন ?
    ২. মাবুদ আল্লাহর উপর সারা জীবন ঈমান থাকা সত্ত্বেও কেন নীকদীমের জীবনে নাজাতের নিশ্চয়তা ছিল না ?
  • কি কি কারণে আমরাও সেই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে পারি ?
    ৩. এখানে আমরা দেখতে পাই যে ঈসা মশীহ একটি কথা ব্যবহার করেছেন 'নতুন করে জন্ম হওয়া '। কেউ যদি আবার নতুন করে জন্ম নেয় তাহলে তার কি পরিবর্তন ঘটবে (৩-৮)?
  • মানুষকে 'রূহে এবং পানিতে' জন্মগ্রহণ করতে হবে, এ কথা কি অর্থ হতে পারে ?
    ৪. নীকদীম ঈসা মশীহকে জিজ্ঞাসা করলেন, ' এ (নতুন করে জন্ম হওয়া) কেমন করে হতে পারে (৯)? ঈসা(আঃ) এর উত্তরে কি বলেছিলেন তা আপনি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করুন (১০-১৬ আয়াত)।
    ৫. নতুন জন্মের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ঈসা আল মশীহ বনি ইস্রায়েলীয়দের মরুভূমিতে হিজরতের দৃষ্টান্ত ব্যবহার করেছেন। ঐ ঘটনায় মানুষকে তাদের গোনাহের শাস্তি দেবার জন্য মাবুদ আল্লাহ এক বিষাক্ত সাপ পাঠিয়েছিলেন। পরবতর্ীতে তিনি এই সাপের বিষ থেকে রক্ষার জন্য একটি উপায়ও দিয়েছিলেন। যে কেউ হজরত মুসা (আঃ)-র মাধ্যমে স্থাপন করা একটি ব্রোঞ্জের সাপের দিকে তাকাতো, সে মৃতু্যর হাত থেকে রক্ষা পেত। (শুমারী ২১: ৪-৯)। ঈসা মশীহের ক্রুশে মৃতু্যবরণের সাথে সেই ঘটনার কি মিল রয়েছে? যত বেশী সম্ভব মিলগুলো খুঁজে বের করুন (১৩-১৬)।
    ৬. যে সমস্ত লোকেরা বিশ্বাস করে সেদিন ব্রোঞ্জের সাপের দিকে তাকানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাদের কি হয়েছিল ?
  • পাক কিতাব আমাদের এই কথা বলে যে সেদিন অনেক লোক মৃতু্যবরণ করেছিল। কেন অনেক লোকেরা সেদিন আল্লাহর দেয়া চিকিৎসার উপর বিশ্বাস করেনি ?
  • কিতাবুল মোকাদ্দসের এই ঘটনার সাথে নতুন করে জন্ম নেওয়ার কি মিল রয়েছে ?
    ৭. কিতাবুল মোকাদ্দস এ প্রায় সবসময়ই সাপকে শয়তানের প্রতীক হিসাবে দেখানো হয়েছে। আপনার কি মনে হয়, কেন ঈসা মশীহ নিজেকে ও সাপকে একই জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন ?
    ৮. নতুন জন্ম সম্বন্ধে ১৬ আয়াত আমাদেরকে কি শিক্ষা দেয় ?
    ৯. (যদি সময় থাকে) নতুন জন্ম সম্বন্ধে আপনার মধ্যে কি কি ধরনের ভুল ধারনা বা উদ্বেগ রয়েছে ? এই অংশের আলোকে তা আলোচনা করুন।

    সুখবর : আল্লাহ মানুষকে এত মহব্বত করলেন যে তাঁর একমাত্র পুত্রকে তিনি দান করলেন। তাই যদি আপনি সেই পুত্রের উপর ঈমান আনেন তাহলে বিনষ্ট হবেন না কিন্তু আখেরী জীবন পাবেন।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    ৬. জীবন্ত পানি (ইউহোন্না ৪:৫-১৯)


    পটভূমি ঃ সামেরীয়রা ছিল মিশ্র জাতি এবং সে জন্য ইহুদিরা তাদেরকে অবজ্ঞার চোখে দেখতো। এই অংশে উল্লেখিত মহিলার বয়স যদি তখন প্রায় ত্রিশের কাছাকাছি হয়, তাহলে এর মানে এই দাঁড়ায় যে, প্রতি একবছর পর পর সে তার জীবনসঙ্গী পরিবর্তন করেছে।
    ১. কেন শূখর এলাকার এই মহিলা তাদের সামাজিক রীতি অনুসারে সন্ধ্যার সময় না গিয়ে দুপুরবেলায় পানি আনতে গিয়েছিল ? (প্রতিদিন একা পানি আনার সময় মহিলাটির কেমন লাগতো বলে আপনার মনে হয়?)
  • এই মহিলা তার সঙ্গে কাকে রাখতে পারতো ?
  • ভবিষ্যত সম্পর্কে কি ধরণের প্রত্যাশা ও ভয় সে জমা করে রেখেছিল ?
    ২. কোনটা কঠিন : পরপর পাঁচজন প্রেমিককে ফেলে চলে যাওয়া, অথবা পরপর পাঁচবার পরিত্যক্ত হওয়া? আপনার ধারণাগুলি বলুন।
  • আপনার কি মনে হয় ষষ্ঠবারের মত তার নতুন সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল, এবং এবারও একজন বিবাহিত লোকের সাথে ?
  • গ্রামের কিছু ছেলেমেয়েদের পিতাকে গোপনে লাভ করার বিষয়টিকে মহিলাটি কিভাবে ন্যায়সঙ্গতভাবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করতো ?
    ৩. এই মহিলাটির নিজের সম্পর্কে, পুরুষদের সম্পর্কে কিম্বা প্রেম সম্পর্কে কি ধারণা ছিল বলে আপনার মনে হয় ?
    ৪. ইহুদি পুরুষেরা কখনই মহিলাদের সাথে প্রকাশ্যে কথা বলতো না, এমনকি একজন আরেকজনের সাথে একাকী কথাও বলতো না। সেক্ষেত্রে হজরত ঈসা মশীহ কেন কোন গুজব বাসমালোচনার ভয় করলেন না ?
  • কেন ঈসা মশীহ একটা সাহায্য চাওয়ার মধ্য দিয়ে তার সাথে আলাপ শুরু করেছিলেন(৭)?
    ৫. কোন দিক দিয়ে ১০ আয়াতে উল্লেখিত ঈসা(আঃ) এর কথা মহিলাটি ভুল বুঝেছিল ?
  • এই মহিলা কিসের জন্য পিপাসা ছিল ?
  • আপনার ব্যক্তিগত জীবনে আপনি কিসের জন্য পিপাসিত ? (উত্তর দেবার জন্য প্রস্তুত থাকুন)
    ৬. ঈসা মশীহ নিজেই আপনার সাথে কথা বলেছেন এমনভাবে ১৪ আয়াতটি পড়ুন। আপনার বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই কথার তাৎপর্য কি ?
  • যার অন্তরে জীবন্ত পানির ফোয়ারা রয়েছে সে কেমন ব্যক্তি ?
    ৭. 'তবে যাও, তোমার স্বামীকে এখানে ডেকে আন' - কেন এই কথা বলে তিনি মহিলার অনুরোধের উত্তর দিলেন ? (১৫-১৬)
  • ১৬ ও ১৭ আয়াতের কথা না বলে যদি হযরত ঈসা মহিলাটিকে সরাসরি ১৮ আয়াতের কথাগুলো বলতেন তাহলে কেমন হতো ?
  • জীবন্ত পানি দেবার আগে কেন মশীহ ঈসা আমাদের গুনাহ্গুলো দেখিয়ে দিতে চান?
    ৮. মহিলাটি যখন বুঝতে পারলো যে ঈসা (আঃ) তার জীবনের সমস্ত ঘটনা জানেন, তখন তার কেমন লেগেছিল বলে আপনার মনে হয়?
  • মহিলাটি কেমন করে বুঝতে পারলো যে ঈসা মশীহ তাকে ঘৃণা না করে বরং তার প্রতি আরো যত্ন নিচ্ছেন ?
    ৯. এর পরবতর্ী আলোচনায় আমরা দেখতে পাই যে, ঈসা এই মহিলার কাছে প্রকাশ করলেন যে, তিনিই সেই মশীহ। এই তথ্য তিনি অনেকের কাছেই গোপন রেখেছিলেন। কেন তিনি এই মহিলার কাছে তা প্রকাশ করেছিলেন বলে আপনার মনে হয় ?
    ১০. ২৮-৩০ আয়াত পড়ুন। ঈসা মশীহের কাছে থেকে জীবন্ত পানি পাওয়ার পর মহিলাটির জীবনে বাস্তবে কি ফল দেখতে পাওয়া গিয়েছিল ? (নিজের গুনাহ্ সম্পর্কে তার মনোভাব কিভাবে পরিবর্তিত হলো, গ্রামের সাথে তার কেমন সম্পর্ক হলো ?)

    সুখবর : ক্রুশের উপর থেকে ঈসা মশীহ বলেছিলেন ' আমার পিপাসা পেয়েছে'(ইউহোন্না ১৯ঃ২৮)। এই জীবন্ত পানি যার কাছ থেকে এসেছে সেই ঈসাকে এসময় দেহে ও রুহে তীব্র পিপাসায় ভোগার অভিজ্ঞতা লাভ করতে হয়েছিল। একারণেই এই জীবন্ত পানির জন্য তাঁকে মূল্য দিতে হয়েছিল যা তিনি আজও আমাদেরকে দিতে চান।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    ৭. চিহ্ন, কেরামতী কাজ এবং ঈমান (ইউহোন্না ৪:৪৬-৫৪)


    পটভূমি ঃ উল্লেখিত অংশে যে সরকারী কর্মকর্তা ঈসা মশীহকে খুঁজছেন তিনি হেরোদ আন্তিপাসের অধীনে কাজ করেন। ইনি সেই লোক যিনি তরিকাবন্দীদাতা ইয়াহিয়াকে গ্রেফতার করেছিলেন এবং হত্যা করেছিলেন। (যে হেরোদ বেথেলহেমে শিশুদেরকে হত্যা করেছিলেন তিনি ছিলেন বর্তমান এই হেরোদ আন্তিপাসের দাদা)। এই হেরোদেরা ছিলেন অর্ধ ইহুদি এবং ইহুদিদের কাছে তারা খুবই অজনপ্রিয় ছিলেন। কফরনাহুম এবং কান্না গ্রামের মধ্যে দূরত্ব ছিল ৩৭ কিলোমিটার।

    ১. পুত্র অসুস্থ হবার আগে এই সরকারী কর্মকর্তার জীবনের ভাল ও খারাপ দিকগুলো কি কি ছিলো বলে আপনি মনে করেন ?
    ২. আপনার কি মনে হয়, কেন এই ব্যক্তি মশীহ ঈসার কাছে তার একজন গোলামকে না পাঠিয়ে নিজেই তার কাছে গিয়েছিলেন ?
  • আপনি এখন যেখানে অবস্থান করছেন তার থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরের কোন স্থানের কথা চিন্তা করুন। এতদূর পথ পায়ে হেঁটে কান্না গ্রামে যাবার সময় এই পিতা কি ভাবছিলেন বলে আপনার মনে হয় ?
    ৩. ঈসা মশীহের কাছে কোন সাহায্য বা রহমত কামনা করা কেন এই ব্যক্তির জন্য একটা কঠিন বিষয় ছিলো ?
  • এমন একটি সময়ের কথা চিন্তা করুন যখন হজরত ঈসার কাছে কোন সাহায্য চাওয়া আপনার জন্য খুব কঠিন বিষয় বলে মনে হয়েছিল ? কেন এমন হয়েছিল ?
    ৪. পরবতর্ী ঘটনাবলীর সাথে ঈসার বলা ৪৮ আয়াতের কথাগুলোর কি সম্পর্ক রয়েছে ?
  • ঈমান আনার জন্য চিহ্ন ও কেরামতী কাজ দেখতে চাওয়ার মধ্যে কি ভুল রয়েছে ?
  • ৪৮ আয়াতে ঈসা মশীহের বলা কথাগুলো কি এই ব্যক্তির জন্য প্রয়োগ করা সম্ভব বলে আপনি মনে করেন? আপনার যুক্তিগুলো তুলে ধরুন।
    ৫. কেন ঈসা (আঃ) এই ব্যক্তির অনুরোধের পরও তার সাথে কফরনাহুমে যাননি ? (৪৭,৫০)
  • ঈসার সাথে সাক্ষাতের পর কিভাবে এই ব্যক্তির ঈমান পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল ? (৫০ আয়াত)
    ৬. আল্লাহর কাছ থেকে কোন সাহায্যের অভিজ্ঞতা লাভ না করে শুধুমাত্র তাঁর কালামের উপর ঈমান আনা কঠিন কেন ?
  • এই মুহুর্তে আল্লাহর এমন কোন ওয়াদার কথা আপনার মনে আছে কি যা আপনার দৃঢ়ভাবে ধরে রাখা উচিৎ?
    ৭. কেন এই ছেলেটির সুস্থ হবার মুহুর্তটি আমাদের জন্য ইঞ্জিল কিতাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে? (৫২)
  • ঠিক যে সময়ে ঈসা মশীহ ওয়াদা করেছেন সে সময়ে সুস্থ না হয়ে যদি অন্য সময়ে ঐ ছেলেটি সুস্থ হতো তাহলে তার পিতার মধ্যে কি ধরণের প্রতিক্রিয়া তৈরী হতো ?
    ৮. পাক কিতাবের এই অংশ অনুসারে 'ঈমান' কথাটির অর্থ কি ?
  • ছেলেটির বাবার ঈমানের সাথে আপনার ঈমানের তুলনা করুন।
    ৯. এই ঘটনা আমাদেরকে ঈসা মশীহের কালাম সমর্্পকে কি শিক্ষা দেয় ?
  • আল্লাহর কালাম ছাড়া দুঃখকষ্টভোগ করা এবং দুঃখ কষ্টের মধ্যে আল্লাহর ওয়াদা দৃঢ়ভাবে ধরে রাখা এই দুয়ের মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে ?
    ১০. ঈসা মশীহ নিজে যখন মৃতু্যর মুখোমুখি হলেন, তখন কেন তিনি তাঁর এই শক্তিশালী কালাম ব্যবহার করলেন না ?

    সুখবর : হজরত ঈসার কালাম এত শক্তিশালী কারণ এই কালামের জন্য তিনি মহামূল্য পরিশোধ করেছেন। সরকারী কর্মচারীর সন্তান বেঁচে ছিল, কিন্তু মাবুদ আল্লাহর সন্তান হিসাবে তাঁকে মরতে হয়েছিল।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    ৮. সকলের দ্বারা পরিত্যক্ত (ইউহোন্না ৫:১-১৮)


    বিশ্রামবার নিয়ে ঈসা মশীহ ও ইহুদিদের মধ্যে প্রথম মতবিরোধটি এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্রামবার ছিল ইহুদিদের জন্য বিশ্রামের একটি পবিত্র দিন। ইহুদিরা এটি বিশ্বাস করে যে, সমস্ত জাতি একসঙ্গে একবার বিশ্রামবার পালন না করা পর্যন্ত মশীহ এই দুনিয়াতে আসবেন না। জেরুজালেমে প্রত্মতাত্তি্বক অনুসন্ধানের পর স্তম্ভসহ বেথেস্দা পুকুরের নিদর্শন খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

    ১. একবার চিন্তা করুনতো বেথেস্দার পুকুরের পারে ৩৮ বছর ধরে এই ব্যক্তি কেমন জীবন যাপন করেছিল ?
  • ৫ আয়াতে উল্লেখ করা 'রোগ' কে গ্রীক ভাষায় 'এস্তেনিয়া' বলা হয়। বেশীরভাগ সময়ই এই শব্দটি দূর্বলতা অর্থে ব্যবহৃত হয়। আরো ভিন্ন কিছু অর্থের সম্বন্ধে চিন্তা করুন। কি রোগে এই লোক কষ্ট পাচ্ছিল ?
  • কিভাবে অসুস্থতার প্রথম ১০ বছর শেষের ১০ বছরের থেকে ভিন্ন ছিল ?
    ২. কেন লোকটির আত্মীয় স্বজনেরা তার যত্ম নিতো না (৭)? (এখানে তার নিজের কি দোষ ছিল, অন্যদেরই বা কি দোষ ছিল ?)
  • এই লোকটির চরিত্র সম্বন্ধে আপনি এখানে কেমন ধারণা পেয়েছেন ? ৭ আয়াতে তার কথাগুলো লক্ষ্য করুন।
    ৩. যে সমস্ত রোগীরা সুস্থ হবার জন্য অপেক্ষা করতো সাধারণতঃ তাদের মধ্যে কেমন পারস্পরিক সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল ?
  • অন্যদের চেয়ে বেশীসময় ধরে সেখানে পড়ে থাকলেও কেন তারা তাকে প্রথমে পুকুরে নামতে দেয়নি ?
    ৪. প্রকৃতপক্ষে এই লোকটির ঈমানের বাধাজনক বিষয় কি ছিল ? ( সে কোথা থেকে সাহায্য পাবার আশা করতো ?)
  • এখনকার দিনেও কি ধরণের অদ্ভুত 'চিকিৎসা'-র উপর অসুস্থ লোকেরা নির্ভর করে?
  • ১৪ আয়াতে ঈসা মশীহের বলা কথা অনুসারে এই লোকটির গুনাহ্ কি ছিল ?
    ৫. অন্যান্য রোগী থাকা সত্ত্বেও কেন ঈসা এই লোকটির দিকেই বিশেষ নজর দেবার সিদ্ধান্ত নিলেন বলে আপনার মনে হয়?
  • কেন ঈসা মশীহ এই লোকটিকে একটি আত্মজিজ্ঞাসামূলক প্রশ্ন করলেন ? (৬)
  • কেন লোকটি স্পষ্ট করে ঈসা মশীহের প্রশ্নের উত্তর দেয়নি ? (৭)
  • আপনার জীবনের কিছু চরম সমস্যার সমাধানের জন্য ঈসা মশীহ যদি আজ আপনাকে প্রশ্ন করেন, তাহলে আপনি তাকে কি উত্তর দেবেন ?
    ৬. হজরত ঈসার মতানুসারে, ৩৮ বছরের রোগের চেয়েও এখানে খারাপ বিষয় কি ছিল(১৪) ?
  • ঈসার মতানুসারে, আপনার বর্তমান সমস্যার চেয়েও খারাপ কোন সমস্যাটি আপনার মধ্যে রয়েছে ?
    ৭. সুস্থ হবার পর কোন উদ্দেশ্যে এই লোক এবাদতখানায় গিয়েছিল বলে আপনার মনে হয়? (১৪)
  • কখন এই লোক ঈসার উপর ঈমান এনেছিল ? (যদি সে আসলেই এনে থাকে)
    ৮. ১৫ আয়াতে সুস্থ লোকটি কেন ঐ কাজ করেছিল ? এর বিভিন্ন কারণ ব্যাখ্যা করুন।
  • হযরত ঈসা অবশ্যই আগে থেকে জানতেন যে কিভাবে এই ঘটনার শেষ হবে। তাহলে কেন তিনি এই লোকটিকে সুস্থ করতে গেলেন ?

    সুখবর : কিতাবে উল্লেখিত এই লোকটির মত শেষে ঈসাকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হয়েছিল। তিনি সবার দ্বারা পরিত্যক্ত হয়েছিলেন। ঈসাকে এমনকি ৩৮ বছরের অসুস্থতার চেয়েও খারাপ কিছুর অভিজ্ঞতা লাভ করতে হয়েছিল : তিনি তাঁর বেহেশ্তী পিতার দ্বারা পরিত্যক্ত হয়েছিলেন। একারণেই এখন পরিত্যক্ত কাউকে তিনি এই কথা বলতে পারেন যে " তোমার জন্য এমন কেউ আছে যে তোমার যত্ন নেবে, আমি তোমার জন্য আছি।"

    © 2005 Glad Tidings Mission

    জীবন রুটি (ইউহোন্না ৬:১-১৫)


    হজরত মুসা যে নবীর আসার কথা বলেছিলেন ১৪ আয়াতে লোকেরা সেই নবীর কথা বলছিল। এই নবী মূসা(আঃ) এর মতই হবে (দ্বিতীয় বিবরণ ১৮ঃ১৫,১৮)। যেহেতু মূসা নবীর সময়ে লোকেরা মরুভূমিতে মান্না পেয়েছিল, সেহেতু তারা আশা করছিল যে এই নবীও সেই একই রকম কেরামতী কাজ করতে সক্ষম হবেন। সেই সময়ে পাঁচটা রুটি আর দুটি মাছ দিয়ে একজনের একবেলার খাবার হতো।

    ১. ঈসা মশীহের জনপ্রিয়তার গোপন রহস্য কি ছিল ? (২)
  • কেন ঈসার জনপ্রিয়তা বেশী দিন স্থায়ী হয়নি ?
  • বিখ্যাত ব্যক্তিদের জনপ্রিয়তায় যখন ভাটা পড়তে শুরু করে তখন তারা কি করেন?
    ২. ঈসা মশীহ কেন বারবার তার সাহাবীদের ঈমান পরীক্ষা করেছিলেন (৫-৬)
  • আপনার কি মনে হয়, সেসব পরীক্ষার মধ্য দিয়ে সাহাবীদের ঈমানের কোন পরিপক্কতা কি হয়েছিল ?
  • আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে কিভাবে আল্লাহ আপনার ঈমানের পরীক্ষা করেছিলেন? (আপনি নিজ মনে এই উত্তর চিন্তা করতে পারেন).
    ৩. ঈসা মশীহের সময় ২০০ দীনার ছিল ৮ মাসের বেতনের সমান। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে আপনি ৮ মাসের বেতন দিয়ে কতজন লোক েদুপুরের খাবার কিনে খাওয়াতে পারবেন ? (৭)
    ৪. ছোট ছেলেটি যখন একজন সাহাবীকে তার খাবারগুলো দিচ্ছিল, তখন তার কেমন লেগেছিল বলে আপনার মনে হয় ?
  • আপনি কি মনে করেন সাহাবী আন্দ্রীয় যখন ছেলেটির কথা ঈসা মশীহের কাছে বলছিলেন তখন তিনি ঈসার কাছ থেকে কোন কেরামতী কাজ আশা করছিলেন?
    ৫. কিছু কিছু কিতাব তাফসীরকারীরা যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন যে, খাবার বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়ে ৫০০০ জনের খাবার হয়েছিল কারণ যাদের কাছে কিছু খাবার ছিল, তারা তা তাদের পাশের লোকদের সাথে ভাগ করে খেয়েছিল। আজকের পাঠের কোন অংশ প্রমাণ করে যে, এই তাফসীর ভুল ?
  • এই কেরামতী কাজ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে তা ইঞ্জিল কিতাবের চারটি সিপারাতেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে?
    ৬. ইতিহাস জুড়ে মানুষ সবসময় কেমন ধরণের শাসক কামনা করেছে (১৫)?
  • যদিও হজরত দায়ূদের বংশধর হিসাবে ঈসা মশীহ ইহুদিদের বাদশাহ্ হবার অধিকার দাবী করতে পারতেন, তবুও কেন এখানে তিনি তা হতে চাননি?
    ৭. সর্বোপরি, মানুষ আজ ঈসা মশীহের কাছ থেকে সবচেয়ে কি বেশী পাবার আশা করে ?
  • ঈসা মশীহের কাছ থেকে আপনি সবচেয়ে কি বেশী পাবার আশা করেন ?
  • ব্যক্তিগতভাবে আজকে ঈসা মশীহের মানুষকে খাওয়ানোর এই কেরামতী কাজ আপনাকে কি বলছে ?
    ৮. ঈসা মশীহের এই ধরণের কেরামতী কাজের অভিজ্ঞতা লাভের পরও কেন লোকেরা তাঁর কাছ থেকে কেরামতী চিহ্ন দেখতে চেয়েছিল ? (৩০)
    ৯. এই কেরামতী কাজ দেখানোর পর নিজেকে জীবন রুটি বলে ঈসা মশীহ কি বুঝাতে চেয়েছেন? (৩৫)

    সুখবর : ৪৮ থেকে ৫১ আয়াত পড়ুন। ৫০০০ লোককে খাওয়ানোর ঘটনার মধ্য দিয়ে- ঈসা মশীহ নিজেই কিভাবে জীবন রুটি হলেন সে সম্পকেই বলছে। ঈসা মশীহকে মরতে হয়েছিল যেন আমরা সেই রুটি খেয়ে চিরকালের জীবন পাই। জীবন রুটি বলতে এখানে পবিত্র মেজবানীর রুটির কথাও বলা হয়েছে।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    অপ্রকাশিত মশীহ (ইউহোন্না ৭ঃ৪০-৫২)


    পটভূমি ঃ ৪০ আয়াতে উল্লেখিত নবীকে এখানে আবার এক নতুন মূসা নবী হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যার জন্য ইহুদিরা হাজার বছরেরও বেশী সময় ধরে অপেক্ষা করছিল (দ্বিতীয় বিবরণ ১৮ঃ১৫-১৮)।
    ১. এই অংশে আমরা কত ধরণের লোক দেখতে পাই ?
  • তারা ঈসা-র সম্বন্ধে কি ধরনের যুক্তি দাঁড় করাচ্ছিল ?
    ২. কি কারণে হজরত ঈসার সমসাময়িক লোকদের বোঝা উচিৎ ছিল যে, তিনিই মশীহ ?
  • কেন হজরত ঈসা এই ঘোষনা দিলেন না যে," আমি নাসরতে বড় হয়েছি, কিন্তু আমি দাউদের বংশধর এবং আমার বেথলেহেমে জন্ম হয়েছে ?" (৪১-৪২)
    ৩. আপনার কি মনে হয় যে, যখন ঈসা এই দুনিয়াতে ছিলেন, সেই সময়ের চেয়ে এখন তাঁকে মশীহ বলে স্বীকার করা সহজ? আপনার যুক্তি দিন।
    ৪. কেন ঈসার ' মশীহ' পরিচয় গোপন রাখতে হয়েছিল ? (ঈসাই যে মশীহ, এটি যদি একেবারে শুরু থেকেই প্রকাশিত থাকতো, তাহলে কি হতো?)
    ৫. একজন ব্যক্তির পক্ষে একটি দলীয় শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো খুব কঠিন কেন ? (৪৫-৪৮)
    ৬. ফরিশীদের চিন্তাধারা সম্বন্ধে ৪৯ আয়াত আমাদের কাছে কি প্রকাশ করে ?
    ৭. ৪৫-৫২ আয়াতে ফরিশীরা মজলিসে বসে মূলত কি পরিকল্পনা করছিলেন বলে আপনার মনে হয়?
  • কেন হজরত ঈসার কেরামতী কাজের চেয়ে তাঁর বলা কথাগুলোই এবাদতখানার কর্মচারীকে মুগ্ধ করেছিলো ?
    ৮. যদি নীকদিম কথা না বলে চুপ করে থাকতেন তাহলে কি হতো ? (৫০-৫১)
  • এর আগে যখন তিনি রাতে ঈসা মশীহের কাছে এসেছিলেন, সম্ভবত তখন তিনি নীরবই ছিলেন, কারণ তিনি অন্যান্য ফরীশিদের কারণে ভীত ছিলেন। এখন, কিভাবে তিনি তার মনের কথা প্রকাশ করে দেবার মত এত সাহস লাভ করলেন?
  • সকলের অসম্মতির মধ্যেও আপনার ঈমানের সাক্ষ্য তুলে ধরার সাহস কি আপনার মধ্যে আছে ?
    ৯. আপনার কি ধারণা, নীকদীমের বলা কথাগুলো কি তাদের মধ্যে কোন প্রভাব ফেলতে পেরেছিল ? যদি তাদের মধ্যে প্রভাব ফেলে থাকে, তাহলে কিরকম প্রভাব ফেলেছিল ?
  • শেষে সকলের দ্বারা সমালোচিত হয়ে, আপনার কি মনে হয় নীকদিম যা বলেছিলেন তার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন ? আপনার যুক্তি তুলে ধরুন।
    ১০. (সময় থাকলে আলোচনা করুন) যেখানে বেশীরভাগ লোকেরা মিলে একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিতে উদ্যোগী হয়, সেখানে একা একজন ব্যক্তির কি করণীয় থাকে বলে আপনি মনে করেন?
  • আপনার কি মনে হয়, কেন মাবুদ আল্লাহ সকলের সামনে এটি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করলেন না যে, হজরত ঈসাই একমাত্র মশীহ ছিলেন ?



    © 2005 Glad Tidings Mission

    বিচারক হিসাবে ঈসা(আঃ) (ইউহোন্না ৮:১-১১)


    পটভূমি ঃ হজরত মূসার শরীয়ত অনুসারে, পুরুষ বা মহিলা যে কেউ জেনায় ধরা পড়লে তাকে পাথব মেরে হত্যার নিয়ম ছিল (লেবীয় ২০ঃ১০)। দখলকৃত ইস্রায়েলে মৃতু্যদন্ড দেবার অধিকার মূলত সেসময় রোমীয়দের হাতেই ছিল।

    ১. কি মানুষকে জেনাহ্ করত উদ্বুদ্ধ করে ? এর বিভিন্ন কারণগুলো সম্বন্ধে ভাবুন।
  • 'এক নতুন ভালবাসা' পাবার পর এই মহিলার পরবতর্ী জীবন সম্বন্ধে কল্পনা করুন। তার এই সম্পর্কের মধ্য দিয়ে কি ধরণের আনন্দ, কি ধরণের দুঃখ এই মহিলা বয়ে এনেছিল?
    ২. জেনাহ্ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লে তার অবস্থা কেমন হতে পারে বলে আপনার মনে হয়?
  • মহিলাটির সঙ্গী তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যাবার পর, তার কেমন লেগেছিল বলে আপনার মনে হয়?
  • এরকম পরিস্থিতিতে পুরুষ সঙ্গীটি, যে সম্ভবত বিবাহিত ছিল, তার জন্য সবচেয়ে কঠিন বিষয় কি ছিল ?
    ৩. এই ঘটনার সাথে অনেকেই জড়িত ছিল। জেনাহ্ এবং তার পরবতর্ী শাস্তি মৃতু্যদন্ড সম্পর্কে এই মহিলার স্বামী, তার ছেলেমেয়ে এবং তার আব্বা আম্মার(যদি তারা বেঁচে থাকেন) কেমন অনুভূতি ছিল? পুরুষ প্রেমিকটির স্ত্রী এবং তার সন্তানদের অবস্থায় বা কি?
  • এই পরিবারগুলোর সাথে জড়িত সন্তানদের জীবনে ভবিষ্যতে এই ঘটনা কিভাবে প্রভাব ফেলতে পারে ?
    ৪. যখন এই মহিলাটিকে হজরত ঈসার সামনে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, তখন ঈসা মশীহ সম্পর্কে এই মহিলা কি ভাবছিল বলে আপনার মনে হয় ? (৩-৫)
  • ঐ মূহুর্তে নিজের জেনাহ্ করার বিষয়ে মহিলাটি কি ভাবছিল বলে আপনার মনে হয় ?
    ৫. যদিও ইহুদিরা জানতো যে এধরণের অপরাধের শাস্তি মৃতু্যদন্ড দেবার অধিকার সাধারণত রোমীয়দের হাতে রয়েছে, তারপরও কেন তারা ঈসা মশীহের সামনে মহিলাটিকে ঠেলে দিল?
  • প্রকৃতপক্ষে ৭ আয়াতে যা লেখা রয়েছে তা না বলে তিনি বলতে পারতেন ' আপনাদের কারোরই এই মহিলাকে একটি পাথর মারার কোন অধিকার নেই' - কেন তিনি তা বললেন না ?
    ৬. ৯ আয়াতে উল্লেখিত অভিযোগকারীরা কেন সেই স্থান ছেড়ে একে একে সবাই চলে গিয়েছিল?
  • উপস্থিত লোকদের মধ্যে তাঁর কথার কি প্রতিক্রিয়া হয়, সেদিকে খেয়াল না করে হজরত ঈসা কেন মাটির উপরে লিখতে শুরু করেছিলেন ?
    ৭. কেন একমাত্র ঈসা মশীহেরই এই মহিলাকে মৃতু্যদন্ডে অভিযুক্ত করার অধিকার আছে?
  • ঈসা মশীহ কেন এক্ষেত্রে মূসা নবীর শরিয়ত অনুসারে কাজ করলেন না?
  • অনেক মানুষের জীবনের সুখশান্তি কেড়ে নেবার পর এই মহিলার যে শান্তি হওয়া উচিৎ ছিল, তার কি হলো?
    ৮. আপনার কি মনে হয়, যখন ঈসা দ্বিতীয়বার মাটির উপর লিখতে শুরু করেছিলেন, কেন এই মহিলা সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তখন সেই স্থান থেকে পালিয়ে যায়নি ? (৮-৯)
  • আপনার কি মনে হয়, কখন থেকে এই মহিলা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে, তার গুনাহের ক্ষমা হয়ে গেছে ?
    ৯. কেন ঈসা মশীহ ১১ আয়াতের কথাগুলো মহিলাকে বলতে চেয়েছিলেন ?
  • ১১ আয়াতের এই কথাগুলো ঈসা আপনাকেও বলছেন। আপনার বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই কথাগুলো আপনার কাছে কি অর্থ প্রকাশ করে ?
    সুখবর : মশীহ ঈসা মাটির উপর কি লিখেছিলেন আমরা তা আমাদেরকে বলা হয়নি। সম্ভবত তিনি একজন বিচারকের মত জেনাহ্ করার জন্য আইনে যে শান্তির বিধান রয়েছে তা লিখছিলেন। দ্বিতীয়বার তিনি যখন আবার লিখছিলেন তখন তিনি হয়তো এই কথাগুলো যোগ করেছিলেন ' এই মহিলার স্থানে আমিই তার শাস্তি বহন করবো।'


    © 2005 Glad Tidings Mission

    দুনিয়ার নূর (ইউহোন্না ৯:১-৪৩)


    ঈসা মশীহের সুস্থ করার অন্যান্য সমস্ত কেরামতী কাজের মধ্যে জন্মান্ধকে সুস্থ করার ঘটনাটি সবচেয়ে বেশী সাড়া ফেলেছিল (৯ঃ৩২,১০ঃ২১,১১ঃ৩৭)। কেউ জন্ম থেকে অন্ধ হলে তার চোখের মণিগুলো অপরিণত থেকে যায়। তার অন্যান্য ইন্দ্রিয়গুলো, যেমন তার শোনার ক্ষমতা প্রকৃত অর্থেই দূর্বল হয়ে পড়ে।

    ১. আয়াত ১-৭ ।
  • পরিবারে যদি একটি প্রতিবন্ধি শিশু জন্ম নেয়, তাহলে তা মা বাবার জীবনকে কেমন প্রভাব ফেলে ?
  • এই অন্ধের বাবা-মা কিভাবে এই পরিস্থিতির সামাল দিতেন বলে আপনার কাছে প্রতীয়মান হয় ?
  • এই অন্ধ ভিখারীর প্রতিদিনের জীবন কেমন ছিল তা কল্পনা করুন।
  • আপনার কি মনে হয়, এই লোকটির আল্লাহর মহব্বত সম্বন্ধে কি কোন ধারণা ছিল ?
  • অন্ধ ভিখারী তার অক্ষমতা নিয়ে সবসময় পথচারীদেরকে নানা কথা বলতে শুনেছে। আপনার কি মনে হয় যে ঈসার উম্মতেরা যে ধরণের কথা এখানে বলেছিল তা শোনার জন্য কেউ কখনও অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে ? (২)
  • মানুষ হিসাবে কেন আমরা আমাদের আশেপাশের সমস্ত দূর্দশার জন্য অন্যকে দায়ী করি?
  • কোন পরিস্থিতিতে আপনার মনে হয়েছে যে, আপনি বা আপনার পরিবারে যে দুঃখকষ্ট এসেছে তা অন্য কারোর ভুলের ফলে হয়েছে ?
  • উম্মতদের কথার জবাবে ঈসা মশীহ যা বলেছিলেন, তা শুনে ঐ ভিখারীর কেমন লেগেছিল বলে আপনি মনে করেন ? (৩-৫)
  • আপনার জীবনে আল্লাহর কাজের সবের্াত্তম প্রকাশ কিভাবে হতে পারে?
  • একজন অপরিচিত ব্যক্তি এসে তার চোখে কাদা মাখিয়ে দিল কিন্তু সে কোন প্রতিবাদই করলো না, এই ঘটনা আমাদেরকে কাছে কি প্রকাশ করে ?
  • হজরত ঈসা কেন ঠিক সেই মূহুর্তে তাকে সুস্থ না করে শীলোহের পুকুরে পাঠালেন ?

    ২. ১৮-২৩ আয়াত। পিতামাতার প্রতিক্রিয়া। লক্ষ্য করুন যে, কাউকে মজলিসখানা থেকে বের করে আনা আর একটি বৃহত্তর সমাজ থেকে বের করে আনা একই কথা। (যেমন বিয়ের অনুষ্ঠান, জানাজা)
  • ২ আয়াতে যে ধরনের উক্তি রয়েছে, তা অভিভাবকেরা শুনলে তার প্রতিক্রিয়া কেমন হতো বলে আপনি মনে করেন ?
  • সন্তানের সুস্থতায় কেন তাদের পিতামাতাকে ততটা ঠিক খুশী মনে হয়নি ?
  • মজলিসখানা থেকে বের হয়ে আসার ব্যাপারে এই ব্যক্তিকে কেন তার পিতামাতার তুলনায় বেশী সাহসী মনে হয়েছিল ?
  • তার পিতামাতার অবস্থানে আপনি থাকলে কি করতেন ?

    ৩. ৩৫-৪৩ আয়াত। সুস্থ ব্যক্তির সাথে ঈসা মশীহের দ্বিতীয় সাক্ষাত।
  • আপনার কি ধারণা, হজরত ঈসা মশীহ কেন আবার এই সুস্থ ব্যক্তির সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন ?
  • কেন হজরত ঈসা 'তুমি কি আমার উপর ঈমান এনেছো?' না বলে ' তুমি কি ইব্নে আদমের উপর ঈমান এনেছো?'- এই প্রশ্ন করলেন ? (৩৫)
  • ঈসা মশীহ আজ একই প্রশ্ন আপনাকে করছেন। আপনি তাঁকে কি উত্তর দেবেন ?
  • 'ঈসা মশীহ দুনিয়ার নূর'- এ কথার তাৎপর্য কি ?
  • ৩৯ আয়াতের অর্থ কি ?
  • আপনার কি মনে হয়, দুনিয়ার নূর হওয়া সত্ত্বেও কেন ঈসা মশীহকে জাহান্নামের অন্ধকার ভোগের অভিজ্ঞতা লাভ করতে হয়েছিল ?
    সুখবর ঃ আপনার ও আপনার পরিজনদের জীবনে দুঃখ কষ্ট দেয়া হয়েছে যেন আপনার জীবনে আল্লাহর কাজ দেখতে পাওয়া যায়। ব্যক্তিগতভাবে আপনি ৩ আয়াতটিকে ঈসা মশীহের বলা কথা হিসাবে সঙ্গে নিয়ে ঘরে ফিরুন।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    ভাল রাখাল (ইউহোন্না ১০:১-১৬)


    ১. ১-৬ আয়াত। এ পর্যায়ে এসেও হজরত ঈসা মশীহ প্রকাশ করেননি যে, তিনি নিজের সম্পর্কেই বলছেন। তাই কিতাব অধ্যয়নের এই পর্যায়ে এসে প্রকৃতপক্ষে আমরা আক্ষরিক অর্থে রাখাল এবং তার ভেড়া সম্বন্ধে আলোচনা করবো।
  • উল্লেখিত এই ৬ আয়াত অনুসারে ভেড়ার স্বভাব কেমন ?
  • এই আয়াতগুলো অনুসারে এখানে রাখালের কাছে অদ্ভুত বিষয়টি কি ?
  • কেন রাখাল ছাড়া ভেড়া চলতে পারে না ?
  • কেন রাখাল পরিবর্তন করা সহজ নয়?
  • রাখাল ও চোরের মধ্যে কি কি পার্থক্য আছে ?
  • একটি ভেড়া জীবনে পাহারাদারের কি গুরুত্ব রয়েছে?

    ২. ৭-১০ আয়াত। চোর, ডাকাত , দরজা।
  • ঈসা মশীহই দরজা এর অর্থ কি ? (এই দরজা কোথায় ?)
  • ৮ আয়াতে ঈসা মশীহ কার কথা বলেছেন ?
  • কেন মানুষ সঠিক দরজা দিয়ে না এসে 'দেয়াল টপকে' ঈসায়ী সহভাগিতা লাভ করতে চায় ? (১ আয়াত দেখুন)
  • কেন ঈসা মশীহ এই দাবী করেছেন যে, ঈসায়ী সহভাগিতার মধ্যে কিছু লোক আছে যারা চুরি, খুন ও নষ্ট করবার উদ্দেশ্যে আসে ?
  • 'আমি এসেছি যেন তারা জীবন পায়, আর সেই জীবন যেন পরিপূর্ণ হয় '- হজরত ঈসার এই কথা কি আপনার জীবনের জন্যও প্রযোজ্য ?
    ৩. ১১-১৩ আয়াত। ঈসা মশীহ কেবল এখানেই নিজেকে একজন ভাল রাখাল হিসাবে প্রকাশ করেছেন, যে বিষয়ে অনেক নবী রাসূলগণ আগে কিতাবুল মোকাদ্দসে লিখে গিয়েছিলেন। (উদাহরণ স্বরূপ হেজেকিল ৩৪ এবং জবূর শরীফ ২৩ অধ্যায়)
  • একজন রাখাল ও বেতনভুক্ত রাখালের মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে ? (আপনার কি মনে হয় কেন একজন বেতনভুক্ত রাখাল কাজটি প্রথমেই সহজে গ্রহণ করতো ?
  • ঈসা মশীহ এখানে 'বেতনভুক্ত রাখাল' বলতে কাদের কথা বলেছেন?
  • যতদূর সম্ভব ঈসা মশীহ এবং ভাল রাখালের মধ্যে যে সমস্ত সামঞ্জস্য বা মিল রয়েছে তা খুঁজে বের করুন।
  • আপনার সন্তান যদি একটি কুকুরের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করে দেয় তাহলে আপনার কেমন লাগবে ?
  • কোনটি আপনার কাছে বেশী যুক্তিসঙ্গত মনে হয় : একটি প্রাণীর জন্য একজন মানুষ মারা যাবে, নাকি মানবজাতির জন্য একজন মানুষ মারা যাবে ?
  • ঈসা মশীহ কেন আপনার জন্য মরতে রাজি হলেন ?
  • ঈসায়ীদের মধ্যে 'নেকড়ে বাঘ' কারা ? উদাহরণ দিন ।
  • বর্তমান সময়ে যে সমস্ত 'নেকড়ে বাঘেরা' ঈসায়ী জামাতগুলোকে আক্রমণ করে, রাখালেরা কিভাবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে ?

    ৪. ১৪-১৬ আয়াত। ভাল রাখালকে চিনতে পারা।
  • রাখাল ও ভেড়া কিভাবে একে অন্যকে চিনতে পারে? (ঈসা মশীহ কিভাবে আমাদের চিনতে পারেন এবং আমরা কিভাবে মশীহকে চিনতে পারি ?)
  • কিতাবের এই অংশটুকু ঈসার 'কথা' সম্বন্ধে আমাদের কি শিক্ষা দেয় (৩,৪,৫,৮,১৬)?
  • কিভাবে আমরা অন্যদের কণ্ঠস্বর থেকে ঈসা মশীহের কণ্ঠস্বরকে আলাদা করতে পারি ?
  • সমস্ত দুনিয়ার ঈসায়ীদের মধ্যে কোন বিষয়ে মিল রয়েছে ?
  • কেন আমাদের ভাল রাখালের মৃতু্যর কথা না বলে আমরা তার বিষয়ে কথা বলতে পারি না ?
    সুখবর : পাঠক হিজরত ১২ঃ৭,১৩ আয়াত পড়তে পারেন। এখানে দরজার সাথে ভেড়ার একটা সমন্বয় দেখানো হয়েছে এবং ঈসা মশীহ কিভাবে আমাদের জন্য দরজা হয়েছিলেন সে সম্বন্ধে শিক্ষা রয়েছে।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    পুনরুত্থান ও জীবন (ইউহোন্না ১১:১-৪৬)


    হজরত ঈসা যখন লাসারের অসুস্থতার কথা শুনেছিলেন তখন তিনি বেথানিয়া থেকে মাত্র একদিনের পথ দূরে ছিলেন।

    ১-৫ আয়াত ।
    ১. এই তিন ভাইবোন কিভাবে জানতো যে ঈসা মশীহ তাদের মহব্বত করতেন (৩,৫)?
  • আপনি কিভাবে জানতে পারেন যে ঈসা মশীহ আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে মহব্বত করেন?
    ২. হজরত ঈসা কেন তৎক্ষণাৎ লাসারকে সুস্থ করার জন্য প্রস্তুত হলেন না?
  • আয়াত ৪ এর কথাগুলো দিয়ে ঈসা কি বুঝাতে চাইলেন ?
  • আপনি কি মনে করেন যে ৪ আয়াতে যে কথা লেখা আছে ঈসা মশীহ আপনার দুঃখকষ্টের সময়েও একই কথা বলতে পারেন ?

    ২৫-২৬ আয়াত।
    ৩. এই আয়াতগুলো কি অর্থ বহন করে?
  • ঈসা মশীহের উপর যে বিশ্বাস করে, কেন তাকে মৃতু্যকে ভয় করা উচিৎ নয় ?

    ৩২-৪৬ আয়াত।
    ৪. ৩২ আয়াতে যে কথাগুলো লেখা আছে, মরিয়ম যখন তা বলছিলেন, তখন ঈসা(আঃ) সম্বন্ধে তার কেমন অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছিল ? বিভিন্ন ধারণাগুলি নিয়ে আলোচনা করুন।
    ৫. হজরত ঈসা 'দিলে খুব অস্থির হলেন'- এর প্রকৃত কারণ কি ছিল ? (৩৩)
    ৬. ঈসা মশীহ মরিয়মের সাথে কাঁদলেন - এটি মরিয়মের কাছে কি অর্থ বহন করে ?(৩৫)
  • আপনার হয়তো এটি অজানা থাকতে পারে যে, আপনার খুব প্রিয়জন কেউ দূরে চলে গেলে বা যে কোন দুঃখের সময় ঈসা মশীহ আপনার সাথে কেঁদেছেন- এটি আপনার কাছে কি অর্থ বহন করে ?
    ৭. কি কারণে হজরত ঈসা কবরের মুখখানা খুলতে চেয়েছিলেন বলে মার্থা ধারণা করেছিলেন ? (৩৮-৩৯)
  • আপনার কি মনে হয় মার্থা এটি বিশ্বাস করেছিলেন যে, ঈসা মশীহ তার ভাইকে মৃতু্য থেকে জীবিত করে তুলতে পারবেন ? আপনার কারণগুলি বলুন।
  • ৪০ আয়াতের কথাগুলোর মধ্য দিয়ে ঈসা মশীহ কি বুঝাতে চেয়েছেন ?
    ৮. ৪১-৪২ আয়াতের মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ঈসা মশীহ আসলে কি চেয়েছিলেন ?
  • লাসার যখন কবরের ভিতর থেকে বের হয়ে আসছিলেন, তখন লোকদের অনুভূতি কেমন হয়েছিলো বলে আপনি মনে করেন (৪৩-৪৪)?
    ৯. লাসারের কবরের কাছের এই ঘটনা কিভাবে মার্থা এবং মরিয়মের ঈমানকে বদলে দিয়েছিল?
  • যে সমস্ত ইহুদীরা সেখানে উপস্থিত ছিল, এই কেরামতী কাজ কিভাবে তাদেরকে প্রভাবিত করেছিল ?
  • এ ধরণের কেরামতী কাজ দেখেও কেন কিছু কিছু লোক তারপরও অবিশ্বাসের মধ্যে আটকে থাকে ?
    ১০. পুর্নজীবিত হয়ে লাসারের কেমন লাগছিল বলে আপনার মনে হয় ?
  • হজরত ঈসা ভালভাবেই জানতেন যে এরকম কাজ করার ফলে তাকে কি মূল্য দিতে হতে পারে (৫৩)? তারপরও কেন তিনি লাসারকে মৃতু্য থেকে জীবিত করে তুলেছিলেন?
    ঈসা মশীহ এমন একজন ব্যক্তিকে মৃতু্য থেকে জীবিত করলেন যে তার নিজের দেনা পরিশোধ করেছিল (কারণ গোনাহের যে বেতন দেয় তা মৃতু্য)। পরবতর্ী নিজের মৃতু্যর মধ্য দিয়ে ঈসা মশীহ লাসারের গুনাহের কাফ্ফারা দিলেন। এ কারণে এখন আমার এবং আমাদের প্রিয়জনের জন্য ঈসা মশীহ পুনরুত্থান ও জীবন হতে পারেন।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    একটি মৃত গমের বীজ (ইউহোন্না ১২:২০-৩৩)


    এটি ছিল দুনিয়াতে ঈসা মশীহের শেষ রাত। তিনি জানতেন যে, পরের দিন তাকে হত্যা করা হবে। এই অংশে উল্লেখিত কথাগুলোর মধ্য দিয়ে নাজাতদাতা তাঁর অন্তরের কিছু অস্থিরতা প্রকাশ করছিলেন, যা মৃতু্যর পূর্বে তাঁকে অন্তরকে অস্থির করে তুলেছিল।

    ১. কেন গ্রীকেরা তাদের অনুরোধ নিয়ে সরাসরি হজরত ঈসার কাছে আসেনি ? (২০-২১)
  • হজরত ফিলিপ কেন তার কথাটি গিয়ে সরাসরি ঈসা মশীহের কাছে বললেন না ? (২২)
    ২. 'নিজ প্রাণকে বেশী ভালবাসা'- এই কথাটির আসল অর্থ কি?
  • 'এই পৃথিবীতে নিজ প্রাণকে ঘৃণা করে' এই কথার আসল অর্থ কি ?
  • এই পৃথিবীতে কাজকে আমাদের জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসাবে দাঁড় করিয়ে কেন আমরা মানুষেরা সুখী হতে পারি না ?
  • শিষ্যদের অভিজ্ঞতার আলোকে ২৬ আয়াতের অর্থ কি ?
  • ২৬ আয়াতকে কিভাবে আপনি আপনার জীবনে বাস্তবভাবে প্রয়োগ করতে পারেন ?
    ৩. ঐ মুহুর্তে ঈসা অন্তরে কি ধরণের অস্থিরতার সাথে সংগ্রাম করছিলেন (২৭-২৮)? ঈসা এসময় কি ধরণের বিকল্প সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারতেন ?
  • মানবজাতির গুনাহের জন্য ঈসা মশীহ তাঁর প্রাণ দেবেন এটি দুনিয়াতে আসার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তারপরও এই পরিস্থিতিতে কেন ঈসা মশীহ এত বেশী অস্থির হয়ে উঠেছিলেন ?
  • হজরত ঈসা কেন গমের বীজের মত হবার পথ বেছে নিয়েছিলেন ?
    ৪. যদি আপনার সামনে এই সুযোগ আসতো তাহলে আপনি এই দুটির মধ্যে কোনটি বেছে নিতেন : একটি সুখী জীবন যা কারো কোন উপকারে আসে না, কিম্বা একটি কষ্টভোগের জীবন যা অন্যের জন্য আশর্ীবাদ বয়ে আনতে পারে ? আপনার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দিন।
    ৫. 'এরই জন্য তো আমি এই সময় পর্যন্ত এসেছি' - ঈসা মশীহের মতো আপনি কি আপনার নিজের কষ্টের সময়ে এই কথা বলতে পারেন ? আপনার কারণগুলি আলোচনা করুন।
    ৬. কোনটি ঈসা মশীহ তাঁর জীবনের সবচেয়ে প্রধান উদ্দেশ্য হিসাবে স্থির করেছিলেন ? (২৮-২৯আয়াত)
  • পুত্রের মৃতু্যতে পিতা আল্লাহর নাম কিভাবে মহিমান্বিত হয় ?
    ৭. ৩১ ও ৩২ আয়াতের অর্থ কি ?
    ৮. হজরত ফিলিপ ও আন্দ্রিয়ের অনুরোধে ঈসা মশীহের উত্তরটি কি ছিল ? (২৩-৩৩)

    সুখবর : ঈসা মশীহ আমাদের প্রতি তার মহব্বতের কারণে নিজ জীবন কোরবানী করেছিলেন। তাহলে কি তাঁর প্রতি মহব্বতের চিহ্ন হিসাবে আমাদেরও তাঁর জন্য জীবন দেয়া উচিৎ নয় ?



    © 2005 Glad Tidings Mission

    গোলামের মত প্রভু (ইউহোন্না ১৩:১-১৭)


    পটভূমি ঃ হজরত ঈসা একটি বাসা ভাড়া করলেন এবং উদ্ধার-ঈদের খাবার প্রস্তুর করার জন্য তাঁর সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন। পানি, গামলা, গামছা সবকিছুই সেখানে ছিল, কিন্তু খাবারের আগে সকলের পা ধুইয়ে দেবার মত সেখানে কোন গোলাম ছিল না। সেখানে যারা খাচ্ছিল তারা সবাই হেলান দিয়ে বসে ছিল। কিন্তু তাদের অপরিস্কার পাগুলি একে অন্যের ক্ষুধাকে নিবৃত্ত করছিল।

    ১. ঈসা মশীহ জানতেন যে পরের দিনই তাঁকে মরতে হবে। আপনি যদি জানতেন যে আগামীকাল আপনাকে মারা যেতে হবে, তাহলে আজকে আপনি কি করতেন ?
  • কাহিনীর পরবতর্ী অংশের সাথে ৩ আয়াতের কি সম্পর্ক রয়েছে ?
    ২. ঈসার কোন সাহাবীই কেন সেদিন গোলামের কাজটি করতে চাননি ? ( তাদের মধ্যে কমবয়সী সঙ্গীটিও কেন সেদিন অন্যের পা ধোওয়ানোর কাজে এগিয়ে আসেননি? )
  • আপনার কি মনে হয়, মানুষের জন্য কেন ' উপর থেকে র্নিদেশ ' গুরুত্বপূর্ণ ?
    ৩. পা না ধুয়ে যখন সাহাবীরা উদ্ধার ঈদের খাবার খাচ্ছিলেন, তখন তাদের কেমন লাগছিল বলে আপনার মনে হয় ?
  • আপনি কি মনে করেন কেন হজরত ঈসা সাহাবীদের খাবার শুরু করার ঠিক আগে তাদের পা ধুতে শুরু করলেন ?(৪)
    ৪. এই কাজটির মধ্য দিয়ে হজরত ঈসা তাঁর নিজের সম্বন্ধে তাদের কাছে কি প্রকাশ করতে চাইলেন ?
    ৫. ইতিপূর্বে আপনি যে কাজটি প্রত্যাখান করেছেন, তা যদি ঈসা মশীহ নিজেই করে দিতেন তাহলে আপনার কেমন লাগতো ?
    ৬. কেন হজরত পিতর ঈসা মশীহকে পা ধোওয়াতে দিলেন না (৬-৮)?
  • ৮ আয়াতের প্রথম কথাগুলো পিতর সম্বন্ধে আমাদের কাছে কি প্রকাশ করে ?
  • যদি কোন ব্যক্তি ঈসা মশীহের কাছে নিজেকে পাকসাফ করতে না চায় তাহলে কেন তার সাথে ঈসা মশীহের কোন সম্পর্ক নেই ? (৮)
    ৭. আপনার কি মনে হয়, কেন হজরত পিতর হঠাৎ করে তার পায়ের সাথে তার হাত এবং তার মাথাও ধুয়ে নিতে চাইলেন ? (৯)
  • ১০ আয়াতে ঈসা পিতরকে উত্তর দিতে গিয়ে কি বুঝাতে চাইলেন ? (এখানে 'গোসল করা' বলতে ঈসা মশীহ কি বুঝাতে চাইলেন? আবার 'পা ধোয়া' বলতেই বা তিনি কি বোঝাতে চাইলেন ?)
  • আপনি কি বলতে পারেন যে, ঈসা মশীহ আপনার গুনাহ ধুইয়ে দিয়েছেন? যদি তা বলতে পারেন, তাহলে কোথায় এবং কখন তা সংঘটিত হয়েছিল ?
    ৮. ঈসা মশীহ কেন এহুদা ইস্কারিয়োতেরও পা ধুইয়ে দিলেন ?
  • যখন ঈসা(আঃ) এহুদার সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন, তখন তার কেমন লেগেছিল বলে আপনার মনে হয় ?
  • আপনার কি মনে হয় যে এহুদা হজরত ঈসার মহব্বতে ঈমান এনেছিলেন?
  • এহুদা যে মহাভুলটি করেছিলেন তা কি ?
    ৯. ঈসা মশীহ এখানে যে দৃষ্টান্ত আমাদের জন্য স্থাপন করে গেছেন তা বর্তমান সময়ে ঈসায়ীরা কিভাবে অনুসরণ করতে পারে? (১২-১৭)
  • যদি এখন ঈসায়ী ইতোমধ্যে ঈসার মধ্য দিয়ে তার নিজের পা না ধুইয়ে থাকেন, তাহলে তার পক্ষে কেন অন্যের পা ধুইয়ে দেওয়া সম্ভব নয় ?
    ১০. এই বিশেষ কাজটি কিভাবে দেখায় যে ঈসা মশীহ 'শেষ পর্যন্তই মহব্বত করেছিলেন'? (১)

    সুখবর : ক্রুশের উপর তাঁর মৃতু্যর মধ্য দিয়ে ঈসা মশীহ নিজেকে একজন গোলাম হিসাবে দেখিয়ে বলে গিয়েছিলেন, ' তোমাদের মধ্যে যে বড় হতে চায় তাকে তোমাদের সেবাকারী হতে হবে, আর যে প্রথম হতে চায় তাকে সকলের গোলাম হতে হবে। মনে রেখো, ইব্নে- আদম সেবা পেতে আসেননি, বরং সেবা করতে এসেছেন এবং অনেক লোকের মুক্তির মূল্য হিসাবে তাদের প্রাণের পরিবর্তে নিজের প্রাণ দিতে এসেছেন। ' (মার্ক ১০ঃ৪৩-৪৫)

    © 2005 Glad Tidings Mission

    পথ, সত্য আর জীবন (ইউহোন্না ১৪:১-১১)


    যদি আজকে আমরা জানতে পারি যে কালকে আমাদেরকে অত্যাচার করে মেরে ফেলা হবে, তাহলে আমাদের কতজনের এমন মন আছে যে সেই সময়ে আমরা অন্যদের সমস্যাপূর্ণ হৃদয় নিয়ে ভাববো ?

    ১. আপনার কি মনে হয়, অস্থির হৃদয়ের মানুষ এবং সমস্যায় জর্জরিত মানুষের হৃদয়ের মধ্যে কি ঈমানের অভাব দেখা যায় ? (১)
  • আজকে কোন বিষয়টি আপনাকে অস্থির করে তুলছে ? ( আপনি মনে মনে চিন্তা করুন)
    ২. ১ আয়াতের অর্থ কি ?
  • যখন কেউ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয় বা সমস্যায় পড়ে তখন আল্লাহ বা ঈসা মশীহের কোন বিষয়টির উপর তার অবশ্যই ঈমান রাখা উচিৎ ?
    ৩. এই ১১টি আয়াতে ঈসা মশীহ ঈমান সম্বন্ধে কি বলেছেন ? যে সমস্ত জায়গাগুলিতে ঈমান সম্বন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো খুঁজে বের করুন।
    ৪. ২ এবং ৩ আয়াতের মধ্য দিয়ে আমরা বেহেশ্ত সম্পর্কে কি শিক্ষা পাই ?
  • প্রথম আয়াতের সাথে দ্বিতীয় ও তৃতীয় আয়াতের কি সম্পর্ক রয়েছে ?
  • কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বেহেশ্ত আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে ?
    ৫. 'আমিই পথ'- এই দাবী করে হজরত ঈসা কি বুঝালেন (৬)?
  • কেউ যদি বলে ' এই দিকে পথ' আর কেউ যদি বলে ' আমিই পথ' - এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি ?
  • কেন ঈসা মশীহ ছাড়া কেউ বেহেশ্ত -এ যেতে পারে না ?
    ৬. ঈসা মশীহ-ই যে ' সত্য ও জীবন ' এর অর্থ কি ? (৬)
    ৭. মাবুদ আল্লাহ ও ঈসা মশীহের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের ব্যাপারে ৭ ও ১১ আয়াত আমাদেরকে কি শিক্ষা দেয় ?
  • ঈসা মশীহ-ই যে আল্লাহ, এই কথার উপর ঈমান না আনলে কেন কেউ ঈসায়ী ঈমানদার হতে পারেন না ?
    ৮. যে সমস্ত সাহাবীদের কাছে ঈসা মশীহ এই উৎসাহের কথাগুলো বলেছিলেন (যেমন: ১৩ঃ৩৭-৩৮, ১৪ঃ ৫,৮,৯ আয়াত) তাদের অবস্থা কি ছিল ?
  • তিনটি বছর একসাথে কাটানোর পরও কেন সাহাবীরা নিজেদের এবং মশীহ সম্বন্ধে এত কম জেনেছিলেন ?
    ৯. হজরত ঈসা তার সাহাবীদের ভয় করতে নিষেধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি নিজেই ঐ রাতে দুঃখে পরিপূর্ণ হয়েছিলেন (দলনেতা এখানে মথি ২৬ ঃ৩৭-৩৮ আয়াত পরতে পারেন)। এক্ষেত্রে আমরা ঈসা মশীহের কথা ও কাজের মধ্যে যে অসঙ্গতি দেখতে পাই, তা আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন ?
  • গেৎশিমানী বাগানে কিসের ভয়ে হরজত ঈসা ভীত বা অস্থির হয়েছিলেন ?

    আল্লাহতায়ালার রাগ এবং গুনাহ্ যে বেতন দেয় সেই মৃতু্য ছাড়া আর কিছুকেই ঈসা ভয় পেতেন না। কারণ এগুলোকে তিনি নিজে আমাদের পরিবর্তে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তাই আজ এ কথা বলার তাঁর অধিকার আছে ' তোমাদের মন যেন আর অস্থির না হয়। আল্লাহর উপর বিশ্বাস কর, আমার উপরেও বিশ্বাস কর। ' এই কথাগুলো আজ আপনার জন্য ঈসা মশীহের দেয়া বিশেষ উপহার হয়ে থাকুক।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    আসল আঙ্গুর গাছ (ইউহোন্না ১৫:১-১১)


    পটভূমি : বনি ইস্রায়েল একসময় মাবুদের আঙ্গুর বাগান ছিল। কিন্তু মাবুদ আল্লাহ এই আঙ্গুর বাগানের ওপর অসন্তুষ্ট ছিলেন, কারণ এই বাগান তাঁর জন্য কোন ফল দেয়নি (ইশাইয়া ৫ঃ১-৭)। কিতাবের আজকের এই অংশে ঈসা মশীহ দাবী করেছেন যে, তিনিই আসল আঙ্গুর গাছ যার মধ্য দিয়ে মাবুদ আল্লাহ সন্তুষ্ট হতে পারেন। প্রতি শীতে আঙ্গুর গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছেঁটে দেয়া হয়। আঙ্গুরগাছের ডালপালা যত ছেঁটে দেয়া যায় এর কাণ্ড ততই মজবুত হয়।

    ১. আঙ্গুর গাছ ও ঈসা মশীহের মধ্যে যতদূর সম্ভব মিলগুলো খুঁজে বের করুন।
  • ঈসায়ী সমাজ ও আঙ্গুরগাছের ডালের সাথে মধ্যে কি মিল রয়েছে ?
    ২. যে ঈসায়ী জীবনে অনেক ফল বহন করে, আপনার মতে, আসলে সে কেমন ?
  • প্রথম চারটি আয়াতের আলোকে জীবনে ফল ধারণ করার প্রক্রিয়াটি চিন্তা করুন। এই প্রক্রিয়াতে ডালপালার (আমাদের), কান্ডের (ঈসা) ও মালীর (আল্লাহ) কি কি দায়িত্ব রয়েছে ?
    ৩. আঙ্গুরগাছের পাতা হল সবচেয়ে দর্শনীয় ও সুন্দর অংশ। তারপরও এগুলোকে কেটে ফেলা হয়। আপনার নিজের জীবনের কি এমন কিছু ছিল যা আপনি বৃদ্ধি পেতে দিয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহ তা ছেঁটে ফেলে দিয়েছেন ? (নিজেকেই উত্তর দিন)
    ৪. কেন আঙ্গুরগাছ থেকে ডাল পড়ে যায়, তার বিভিন্ন কারণগুলো সম্বন্ধে চিন্তা করুন। ( উদাহরণ স্বরূপ, গাছের রস ডালগুলোতে প্রবাহিত হবার পথে বিভিন্ন বাধাগুলো কি হতে পারে?)
  • কি কি কারণে একজন ঈসায়ী ঈসার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে ?
  • কোন বিষয়টি বিশেষভাবে আপনাকে পড়ে যাবার ঝুঁকিতে ফেলছে ? (নিজেকেই উত্তর দিন)।
    ৫. যারা নিজেদের ঈমান ত্যাগ করে তাদের কি হয়? এ ক্ষেত্রে ৬ আয়াতের কি তাৎপর্য রয়েছে?
    ৬. কিতাবের এই অংশ থেকে জীবনে ফল ধরানোর জন্য প্রয়োজনীয় দরকারী বিষয়গুলো বের করুন ।
  • এই অংশে কতবার 'থাকা' ক্রিয়াটি দেখতে পাওয়া যায় ?
  • একজন উম্মতকে জীবনে ফল ধারণ করার জন্য কোথায় 'থাকতে' হবে ?
  • কিভাবে হজরত ঈসার কথা আমাদের মধ্যে 'থাকে' (৭) ? (ঈসার কথা যদি আমাদের মধ্যে না 'থাকে' তাহলে তার প্রতিক্রিয়া কি ?)
    ৭. কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন আরেকজনের অনুরোধ শুনছে না- এটি আপনাকে ঐ সম্পর্ক সম্বন্ধে কি ধারণা দেবে (১০)?
  • একজন ঈসায়ী ঈমানদার যদি ঈসার হুকুমের প্রতি গুরুত্ব না দেয়, তাহলে সেই ঈসায়ীর সম্বন্ধে কি ধারণা পাওয়া যায় ?
  • আপনি যদি বুঝতে পারেন যে, আপনি ঈসা মশীহের হুকুমসমূহ পালন করছেন না, তাহলে আপনার কি করা উচিত ?
    ৮. কিভাবে আমরা অন্য একজন মানুষের মহব্বতের মধ্যে থাকতে পারি ? (৯)
  • কিভাবে আমরা ঈসা মশীহের মহব্বতের মধ্যে থাকতে পারি ? (৯)
    ৯. আজকের এই কিতাব আলোচনা থেকে একটি আয়াত আমরা সঙ্গে নিয়ে যেতে পারি। পিতা যেমন ঈসাকে মহব্বত করেছেন তেমনি ঈসা মশীহ আপনাকে মহব্বত করেছেন- আপনার কাছে এই কথার তাৎপর্য কি ?

    সুখবর : আমরা কেউই আমাদের জীবনে যতটুকু ফল ধারণ করার দরকার ততটুকু করতে পারি না। যে ডালে ফল ধরে না তেমন একটি ডাল হিসাবে তিনি আমাদের জায়গাটি নিয়েছেন। যদিও তিনি সবার চেয়ে বেশী ফল ধারণ করেছিলেন তবুও তাকে 'আগুনে ফেলে দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা' হয়েছিল। (৬)



    © 2005 Glad Tidings Mission

    দুঃখ আনন্দে পরিণত হবে (ইউহো্ন্না ১৬:২০-৩৩)


    পটভূমি ঃ এখানে ঈসা মশীহ তাঁর মৃত্যুর পর পরবতর্ী দিনগুলোতে সাহাবীদের মধ্যে যে প্রভাব পরবে সেই সম্পর্কে বলেছেন।
    ১. কেন ঈসা মশীহের মৃতু্যতে দুনিয়া আনন্দ করবে ? (২০)
    ২. একজন স্ত্রীলোকের সন্তান প্রসবের দৃষ্টান্ত দিয়ে হজরত ঈসা মশীহ কি বুঝাতে চাইলেন ?
  • নতুন কোন কিছুর জন্ম হওয়া কেন সবসময় যন্ত্রণার হয় ?
  • আপনি বা আপনার পরিজনের জীবনে যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে নতুন কোন কিছুর জন্ম হবার অভিজ্ঞতা কি লাভ করেছেন ?
  • ২১ আয়াতে হজরত ঈসা সম্ভবত তাঁর নিজের মৃত্যুর বিষয়েই ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। নতুন করে জন্ম নেওয়ার সাথে তুলনা দিয়ে হজরত ঈসা এখানে কি বুঝাতে চেয়েছেন ?
    ৩. কিভাবে দুঃখ ও আনন্দ একসাথে থাকতে পারে ? (২২)
  • কি ধরণের বিষয়গুলি আমাদের আনন্দকে কেড়ে নিতে পারে ? (২২)
  • এটা আসলে কি ধরণের আনন্দ যা কেউ কোনদিন কেড়ে নিতে পারে না ?
    ৪. ঈসা মশীহের কথা অনুসারে, আমাদের মোনাজাত আল্লাহর কাছে পৌঁছানোর জন্য কি শর্ত রয়েছে ?
  • আল্লাহর কাছে একটি সাধারণ মোনাজাত এবং ঈসা মশীহের নামে আল্লাহর কাছে মোনাজাত- এই দুইয়ের মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে ?
    ৫. পিতার কাছে আমরা যা কিছু চাইবো, তা-ই পাবো - এই ওয়াদার মধ্য দিয়ে হজরত ঈসা কি বুঝাতে চেয়েছেন ? (২৩-২৪)
  • আপনার কি মনে হয় যে ২৩ ও ২৪ আয়াতের ওয়াদা আপনার জন্যও সত্য ? কারণগুলি বলুন।
  • আপনার জীবনকালে একজন ঈসায়ী হিসাবে সবচেয়ে আশ্চর্য যে মোনাজাতের উত্তর আপনি পেয়েছেন তা কি ?
    ৬. ৩৩ আয়াতে ঈসা মশীহ বলেছেন, ঈসায়ী ঈমানদারেরা এই দুনিয়াতে যতদিন থাকবে, ততদিন তারা কষ্ট ভোগ করবে। তিনি এখানে কোন ধরণের 'কষ্টের' কথা বলেছেন?
  • কেন অনেক ঈমানদারেরা কষ্টবিহীন জীবনের প্রত্যাশা করেন ?
    ৭. কষ্টের মধ্যে থেকেও আমাদের জীবনে শান্তি আছে- এই কথার অর্থ কি ?
  • আপনার কি মনে হয়, একজন ঈসায়ী যদি প্রথমে এটি বিশ্বাস না করে যে সে আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে, তাহলে কি কষ্টের মধ্যেও তার শান্তি থাকতে পারে ? আপনার কারণ গুলি বলুন।
    ৮. ঈসা মশীহ দুনিয়াকে জয় করেছেন- এর অর্থ কি ? (৩৩)
  • ৩৩ আয়াতের কথাগুলো হজরত ঈসা আজ ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে বলতে চান। আপনার বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই কথাগুলি আপনার জীবনে কি অর্থ বহন করে?


    © 2005 Glad Tidings Mission

    নিজের জন্য ঈসা মশীহের মোনাজাত (ইউহোন্না ১৭:১৩-২১)


    পটভূমি ঃ সাহাবীদের সাথে থাকাকালীন সাহাবীদের জন্য এটিই তাঁর শেষ মোনাজাত। তিনি জানতেন যে খুব শীঘ্রই তারা তাঁকে ছেড়ে চলে যাবেন। কিতাবের এই অংশে একটি শব্দ আছে যা ইউহোন্না সুখবর এ প্রায়ই ব্যবহৃত হয়েছে, তা হল 'দুনিয়া'। এই শব্দটি এই সিপারায় মোট ৫০ বার ব্যবহৃত হয়েছে। দলনেতা এই আয়াতগুলো পড়ে নিতে পারেন : ইউহোন্না ১ঃ ৯-১১, ৯ঃ৫, ১৫ঃ ১৮-১৯, এবং ১৬ঃ৩৩ আয়াত।

    ১. আপনি যদি বুঝতে পারেন যে, খুব শীঘ্রই আপনি মারা যাবেন, তাহলে আপনার প্রিয়জনদের জন্য আপনি কি দোয়া করবেন ?

    ২. রক্ষা ঃ ১১,১২,১৫ আয়াত।
  • আপনাকে এবং আপনার প্রিয়জনকে মাবুদ আল্লাহ কি থেকে রক্ষা করবেন বলে আপনি প্রত্যাশা করেন ?
  • ঈসা মশীহ তাঁর নিজের লোকদের কি থেকে রক্ষা করবেন বলে ওয়াদা করেছেন ? (কেন ঈসা মশীহ তাঁর সাহাবীদেরকে কষ্ট থেকে রক্ষার জন্য তাঁর পিতার কাছে মোনাজাত করলেন না ?)
  • ঈসা মশীহ কিভাবে আমাদেরকে রক্ষা করবেন ?

    ৩. দুনিয়া (১৩-১৮)
  • হজরত ঈসা তাঁর শেষ মোনাজাতে দুনিয়া সম্পর্কে কি বলেছেন ?
  • ঈসা মশীহের সাহাবী এবং দুনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি কি ?
  • কেন দুনিয়া ঈসায়ী ঈমানদারদেরকে ঘৃণা করে ?
  • দুনিয়ার সাথে একজন ঈসায়ী ঈমানদারের সম্পর্ক থাকার ক্ষেত্রে বিপদজনক দুটি বিষয় কি ? (কেন ঈসা মশীহ তার নিজের লোকদেরকে দুনিয়া থেকে আলাদা করতে চাইলেন না? উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে যে, তিনি তো তাদেরকে কোন মাজারে রেখে দিতে পারতেন। ১৮ আয়াতের সাথে তুলনা করুন। )
  • দুনিয়ার সাথে আপনার সম্পর্কের বিষয় চিন্তা করুন। এটি কি ঈসা মশীহ যেমন চান ঠিক সেরকম আছে ?
  • এক্ষেত্রে আপনার ঈসায়ী সহভাগিতাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়িত করবেন? ঈসা মশীহ তাঁর শেষ মোনাজাতে ঠিক যেরকম চেয়েছিলেন, এটা কি সেরকম আছে ?

    ৪. আনন্দ ঃ (১৩)
  • একজন ঈসায়ী ঈমানদারের পরিপূর্ণ আনন্দ কোথা থেকে আসে ?
  • দুনিয়া যখন তার উম্মতদের ঘৃণা ও নির্যাতন করে, তখনও ঈসা মশীহ কিভাবে আশা করেন যে তাঁর উম্মতেরা আনন্দিত থাকবে ?
  • 'আনন্দ' শব্দটির ব্যাখ্যা করুন। এখানে আনন্দ বলতে ঈসা মশীহ কি বুঝাতে চেয়েছেন?
  • আপনি যদি মনে করেন আপনার জীবনে আনন্দ নেই, তাহলে এর পিছনে কি কারণ থাকতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

    ৫. আল্লাহর কালাম ঃ (১৪,১৭,১৯)
  • আল্লাহর কালাম বা কিতাবুল মোকাদ্দস যে সত্য, তা বিশ্বাস করা আপনার জন্য কি সহজ বা কঠিন? আপনার উত্তর দিন।
  • কোন ঈসায়ী ঈমানদার যদি কিতাবুল মোকাদ্দসের কোন একটি অংশকে অস্বীকার করে বলে যে, বর্তমান সময়ে এটির আর প্রয়োজন নেই, তাহলে কি হবে ?
  • সত্য দ্বারা আমরা পাক পবিত্র হবো- এই কথার দ্বারা ঈসা মশীহ কি বুঝাতে চেয়েছেন ?

    ৬. সারাংশ ঃ
  • ঈসা মশীহের এই মোনাজাত আমাদেরকে তথাকথিত ' রুহানিক যুদ্ধ' সম্বন্ধে কি শিক্ষা দেয় ? ( আপনি যদি এই ধারণাটির সাথে পরিচিত হয়ে না থাকেন,তাহলে এই প্রশ্নটি বাদ দিয়ে যেতে পারেন)
  • ঈসা মশীহের এই মোনাজাতের কোন অংশটি আপনার হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে?
    সুখবর : 'ঐ দেখ আল্লাহর ভেড়ার বাচ্চা, যিনি মানুষের সমস্ত গুনাহ্ দূর করেন।' (১:২৯) আল্লাহ মানুষকে এত মহব্বত করলেন যে, তাঁর একমাত্র পুত্রকে তিনি দান করলেন (৩:১৬)।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    ঈসা গ্রেফতার হলেন (ইউহোন্না ১৮:১-১৪)


    কিদ্রোণ উপত্যকা এবং গেৎশিমানী সম্পর্কে জানার জন্য জেরুজালেমের মানচিত্র দেখুন। এহুদা সম্পর্কে জানার জন্য ইউহোন্না ১২ঃ৬ আয়াত দেখুন। ঈসা গ্রেফতার হওয়ার কয়েকদিন পর এহুদা আত্মহত্যা করেছিল। লক্ষ্য করুন যে, গ্রেফতারকারীদের বেশীরভাগই ছিল ইহুদি এবাদতখানার দারোয়ান (আয়াত ৩)।

    ১. ঈসা মশীহের সাথে এহুদার বিগত তিন বছরের সমস্ত ঘটনাবলীর কথা কল্পনা করুন। এই সময়ে সে কি ধরণের ভাল অথবা হতাশাজনক অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল ?
  • আপনার কি মনে হয়, হজরত ঈসা এহুদা ইস্কারিয়োৎকে অন্যান্য সাহাবীদের মত ভালবাসতেন ?
  • এহুদা কি ঈসা মশীহের মহব্বতে বিশ্বাস করতো ? কেন ? কেন নয়?
    ২. কেন হজরত ঈসা এহুদাকে টাকার থলি রাখার দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে আপনার মনে হয়? (ইউ ১২ঃ৬)
  • কেন অর্থের লোভ মানুষের উপর এত প্রভাব বিস্তার করতে পারে ?
  • কি কি পরিস্থিতিতে হয়তোবা আপনি ঈসা মশীহ এবং আপনার ঈসায়ী ঈমানের সাথে বেঈমানী করতে পারেন বলে মনে হয় ?
    ৩. কেন দিনের বদলে রাতে ঈসা মশীহ গ্রেফতার হয়েছিলেন বলে আপনার মনে হয় ?
  • গেৎশিমানী বাগানের সেই দৃশ্য কল্পনা করুন। অসংখ্য জলপাই গাছের মধ্যে...পায়ের আওয়াজ...তারপর... মশালের আলো...চিৎকার... কে এমন পরিস্থিতিতে আপনাকে ভীত করবে এবং কে এসময় আপনাকে র্নিভীক সাহসী করে তুলবে ? (৩-৬)
    ৪. ঈসা মশীহ কেন অন্ধকার থেকে বের হয়ে এসে যারা তাকে ধরতে এসেছিল তাদের সামনে দাঁড়ালেন ?
  • ' আমিই সেই' - এ কথাটি বলে ঈসা মশীহ আল্লাহর নাম ঘোষণা করলেন (ইয়াওয়ে অর্থ আমি আছি)। কেন এই কথা শুনে এবাদতখানার কর্মচারীরা মাটিতে পড়ে গেল ?
    ৫. ঈসা মশীহ তাঁর গ্রেফতারের সময় সবচেয়ে কোন বিষয়ে বেশী উদ্বিগ্ন ছিলেন ?
  • ৮-৯ আয়াত আমাদেরকে একটি 'গৌরবময় বিনিময়' এর বিষয়ে বলে : ঈসা মশীহ এখানে গুনাহ্গারদের স্থান বেছে নিলেন এবং আল্লাহর ক্রোধ থেকে গুনাহ্গারদের পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দিলেন। মনে করুন: যখন আপনাকে বা আপনার প্রিয়জনকে শয়তান দোষারোপ করছে , তখন ঈসা মশীহ শয়তানের সামনে দাঁড়িয়ে ৮ আয়াতের এই কথাগুলো বলছেন। যখন আপনি এভাবে কল্পনা করে এই অংশটি পড়েন তখন এটি আপনার কাছে এই কথাগুলো কি অর্থ বহন করে ?
    ৬. ছোরা দিয়ে আঘাত করার পিছনে হজরত পিতরের উদ্দেশ্য কি ছিল ? (আয়াত ১০)
  • অন্যান্য সুখবরের কাহিনী আমাদেরকে বলে যে, সর্বশেষ অলৌকিক কাজ হিসাবে ঈসা মশীহ মল্কের কানটি সুস্থ করেছিলেন। কেন ?
  • আপনার কি মনে হয়, ঐদিন রাতে মল্কের জীবনে যা ঘটেছিল, সে কি তার পরিবারে গিয়ে তা বলেছিল ?
    ৭. এই ঘটনার কিছুক্ষণ আগে ঈসা মশীহ তার পিতাকে তিনবার অনুরোধ করেছিলেন যেন দুঃখের পেয়ালাটি তার কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, কেন এখন তিনি তা সহজ এবং সুন্দরভাবে মেনে নিলেন ?
  • এই দুঃখের পেয়ালা হজরত ঈসাকে কে দিয়েছিলেন ? (১১)
  • ১১ আয়াতে ঈসা মশীহ যেভাবে বলেছেন, আপনি কি আপনার দুঃখের সময়েও সেভাবে বলতে পারেন ?
  • শয়তান, খারাপ লোক বা আপনার বেহেশ্তী পিতার কাছ থেকে আপনি যদি দুঃখ পান, তাহলে এই দুঃখগুলোর মধ্যে আপনি কি ধরণের পার্থক্য দেখতে পান ?


    সুখবর : ১১ আয়াতে যে পেয়ালার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা ছিল দুনিয়ার গোনাহ্ আর আবর্জনাতে পরিপূর্ণ : প্রতিদিন সকালে খবরের কাগজগুলো আমাদেরকে যে সমস্ত নিষ্ঠুরতার খবর দেয় (তুলনা করুন প্রকাশিত কালাম ১৭ঃ৪)। এই পেয়ালা গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে হজরত ঈসা যেন তার ভিতরে সব ময়লা আবর্জনা ঢেলে দিলেন, এবং এটা তাঁর দেহের অংশ হয়ে গেল। এভাবেই ঈসা মশীহ আপনি সহ দুনিয়ার প্রত্যেক গুনাহগারের বিকল্প হিসাবে নিজেকে দাঁড় করালেন।


    © 2005 Glad Tidings Mission

    শেষ হয়েছে (ইউহোন্না ১৯:২৫-৩০)


    ক্রুশারোপণ সম্ভবতঃ নির্যাতনের জন্য মানুষের তৈরী পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম পদ্ধতি। ক্রুশারোপিত ব্যক্তির জন্য সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক বিষয়টি ছিল কথা বলা, কারণ নিঃশ্বাস নেবার সময় তার দেহের সমস্ত চাপ গিয়ে পেরেক বিদ্ধ পায়ের উপর পড়তো। ক্রুশের উপর হজরত ঈসা মশীহ ঝুলন্ত অবস্থায় একরকম দোজখের মধ্যেই ছিলেন কারণ মাবুদ আল্লাহ তখন তাঁকে ত্যাগ করেছিলেন। হজরত ঈসা যে সাহাবীকে বেশী মহব্বত করতেন তিনি ছিলেন হজরত ইউহোন্না নিজেই।
    ১. আয়াত ২৫-২৭
  • আপনার কি মনে হয় ক্রুশের নীচে জমায়েত হওয়া ঈসা মশীহের শুভাকা
  • খীদের মধ্যে বেশীরভাগই মহিলা ছিলেন কেন ? ( যে সমস্ত যন্ত্রণা কখনও লাঘব হয় না তার প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে কি পার্থক্য আছে বলে আপনার মনে হয় ?)
  • কেন বিবি মরিয়ম, যিনি ঈসা মশীহের মা, তিনি তাঁর পুত্রের ক্রুশের কাছ থেকে দূরে সরে যাননি ?
  • আপনার কি মনে হয়, এসময় বিবি মরিয়ম কি আশা করছিলেন ? একটা কেরামতী কাজ হবে বা তাঁর পুত্র শীঘ্রই মারা যাবে? আপনার উত্তরে পক্ষে যুক্তি দিন।
  • নিজ চোখে ঈসা মশীহের অপমান দেখার পরেও কি বিবি মরিয়মের বিশ্বাস ছিল যে তিনি ইব্নুল্লাহ? আপনার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দিন।
  • বিবি মরিয়মের কাছে তাঁর সন্তানের শেষ কথাগুলি কি তাৎপর্য বহন করে ? ঈসা মশীহ যদি তার মাকে কোন কিছু না বলেই মৃতু্যবরণ করতেন, তবে অবস্থাটা কেমন হতো বলে আপনার মনে হয়?
  • কেন ঈসা অন্য কারো কথা না ভেবে হজরত ইউহোন্নার কাছে তার মাকে রেখে যেতে চাইলেন ? ( বিবি মরিয়ম যদি ঈসা মশীহের মৃতু্যর পর তার অন্য চার সন্তানের কাছে ফিরে যেতেন, তাহলে পরিস্থিতিটা কেমন হতো? মনে রাখুন যে, তখনও ঈসা মশীহের অন্যান্য ৪ ভাই হজরত ঈসার উপর ঈমান আনেননি। )
  • এই ঘটনার মধ্য দিয়ে হজরত ঈসা আপনার পিতামাতার সাথে আপনার কেমন সম্পর্কের ঈঙ্গিত দিতে চেয়েছেন ?
    ২. আয়াত ২৮-২৯।
  • ক্রুশারোপিত ব্যক্তি কেন খুবই পিপাসিত হয় তার বিভিন্ন কারণগুলো চিন্তা করুন।
  • ক্রুশের উপরে ঈসা মশীহ পানি ছাড়া আর কি বিষয়ে পিপাসিত ছিলেন ?
  • ঈসা একদিন সমবেত জনতার সামনে বলেছিলেন ' কারও যদি পিপাসা পায় তবে সে আমার কাছে এসে পানি খেয়ে যাক ' (ইউ ৭ঃ৩৭)। কেন ঈসা মশীহ, যিনি জীবন্ত পানির মালিক, তিনি এখন পিপাসার কাছে বশীভূত হলেন ?
    ৩. আয়াত ৩০।
  • দলনেতা এসময় মথি সুখবরের ৩ঃ১৫ আয়াতে তরিকাবন্দীর পূর্বে ঈসা মশীহের কথাগুলোন পড়বেন। কথাগুলোর সাথে ৩০ আয়াতের তুলনা করুন।
  • আপনি কি বিশ্বাস করেন যে ঈসা মশীহ আপনার জন্যে ধামির্কতা (আল্লাহর সমস্ত হুকুম) পূর্ণ করেছেন ?
  • 'ঈসা মারা গেলেন' আর ঈসা 'তাঁর রূহ্ সমর্পণ করলেন' এই দুটি কথার মধ্যে কি পার্থক্য আছে ?
  • কারও মৃতু্যর অন্তিম মূহুর্ত এবং ঈসা মশীহের মৃতু্যর অন্তিম মূহুর্তের মধ্যে তুলনা করুন। (ঈসা মশীহের আচরণের অদ্বিতীয় দিকটি কি ছিল ?)

    সুখবর : ধনী লোক ও লাসারের গল্পটি আমাদের দেখায় যে, দোজখ্ হচ্ছে এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ অনন্তকাল পিপাসিত থাকে। ধনী লোকটি লাসারের কাছে তার মুখে এক ফোঁটা ঠান্ডা পানি দিতে অনুরোধ করেছিল (লুক ১৬ঃ২৪)। ঈসা মশীহ আমাদের জন্য দোজখের সেই পিপাসার কষ্ট গ্রহণ করেছিলেন যেন আমাদের চিরকালের জন্য সেই কষ্ট আর ভোগ করতে না হয়।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    শূন্য কবরের বাইরে (ইউহোন্না ২০:১১-১৮)


    দলনেতা প্রথমে লূক ৮ঃ১-৩ আয়াত পড়বেন, যে অংশটুকু মগ্দলীনি মরিয়মের অতীত সম্পর্কে আমাদের ধারণা দেয়। সাহাবীদের মত পালিয়ে না গিয়ে মরিয়ম ক্রুশের উপর ঈসা মশীহের করুণ পরিণতি এবং মশীহের দাফনেরও সাক্ষী হয়েছিলেন (মথি ২৭ঃ৬১)। এখানে ' রব্বূনি' শব্দটি 'রাব্বী'(শিক্ষক) শব্দের চেয়েও বেশী অর্থপূর্ণ।
    ১. মরিয়মকে যখন সাতটি ভূতে আছড় করে রেখেছিল, তখন তার জীবন কেমন ছিল বলে আপনার মনে হয়? (তার প্রতিটি দিন কিভাবে যেত, অন্যদের সাথে তার তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক কেমন ছিল, মন্দ আত্মার কারণে যখন সে অজ্ঞান হয়ে পড়তো তখনই বা তার অবস্থা কেমন হতো...? )
  • হজরত ঈসার সাথে সারাদেশ ঘুরে বেড়ানোর বছরগুলো মরিয়মের জন্য কেমন ছিল ?
  • ঈসা মশীহের জন্য মরিয়মের কেমন মহব্বত ছিল ? হজরত ঈসাকে তিনি কি কি ভাবে সম্বোধন করেছেন তা ভালভাবে লক্ষ্য করুন। (১৩,১৬,১৮)
    ২. ঈসা মশীহের করুন পরিণতি পর্যন্ত মরিয়ম ক্রুশের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এমনকি তার দাফনও প্রত্যক্ষ করেছেন। এ থেকে আমরা তার সম্পর্কে কেমন ধারণা পাই ?
  • ঈসা মশীহের মৃতু্যর পর একটি দিন এবং দুটি রাত মরিয়ম কেমনভাবে কাটিয়েছেন বলে আপনার মনে হয় ?
    ৩. কবরটি শূন্য ছিল দেখেও কেন মরিয়ম সেখান থেকে চলে আসতে চাননি ?
  • মরিয়ম হজরত ঈসার মৃতদেহটি আর দেখতে পেলেন না এবং শেষবারের মত তা স্পর্শ করতে পারলেন না- এটা তার কাছে এত হতাশাজনক বিষয় ছিল কেন ?
    ৪. কেন কবরের মধ্যে দুজন ফেরেশতাকে দেখার পরও মরিয়মকে আশ্চর্য হতে দেখা যায়নি ? এর বিভিন্ন কারণগুলো আলোচনা করুন। (১২-১৩)
    ৫. ঈসা মশীহকে দেখে ও তাঁর সাথে কথা বলেও কেন মরিয়ম তাঁকে চিনতে পারলেন না ? বিভিন্ন কারণগুলো বের করুন। (১৪)
  • আপনার জীবনে কি কখনো এমন অবস্থা হয়েছিল যে,ঈসা মশীহ আপনার দুঃখের সময় আপনার কাছে ছিলেন অথচ আপনি তাঁকে চিনতে পারেননি ? যদি হয়ে থাকে, তাহলে কোন পরিস্থিতিতে তা হয়েছিল ?
    ৬. কেন হজরত ঈসা এবং ফেরেশতারা উভয়েই মরিয়মের কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন ? তারা কি তা ইতোমধ্যেই জেনে গিয়েছিলেন ?
  • কেন ঈসা মশীহ আগে থেকে কিছু জানলেও আপনার কান্নার কারণ জানতে চান ?
  • আপনার কি মনে হয় মরিয়মের কান্না কি নিষ্ফল ছিল ? কারণ দেখান।
  • আমরা কিভাবে জানতে পারি যে আমাদের কান্না সফল না নিষ্ফল ?
    ৭. অবশেষে মরিয়ম কিভাবে ঈসা মশীহকে চিনতে পারলেন ? (১৫-১৬)
  • কেন ঈসা মশীহ চাননি যে মরিয়ম আবেগের দ্বারা পরিচালিত হোক ? (১৭)
  • একজন পুরুষ হিসাবে এখানে আমরা হজরত ঈসা মশীহের আচরণ থেকে কি শিখতে পারি ?
    ৮. সেই সময়ে আদালতের সাক্ষী হিসাবে মহিলারা গ্রহণযোগ্য ছিল না। কেন ঈসা তাঁর পুনরুত্থানের সাক্ষী হিসাবে প্রথমে একজন মহিলার কাছে দেখা দিলেন ?
  • ঈসা মশীহ উগ্র জাতীয়তাবাদ বা বিশ্রামবার সম্বন্ধে সমাজের কঠোর শরা শরিয়তের মধ্যে আবদ্ধ ছিলেন না। কিন্তু তারপরও কেন তিনি এহুদার পরে মরিয়মেকে দ্বাদশ সাহাবী হিসাবে নির্বাচিত করেননি ?
    ৯. হজরত ঈসার পুনরুত্থান মরিয়মের পরবতর্ী জীবন কিভাবে বদলে দিয়েছিল বলে আপনার মনে হয় ?
  • ঈসা মশীহের পুনরুত্থান আপনার পরবতর্ী জীবনের জন্য কি আশা বয়ে নিয়ে আসে ?



    © 2005 Glad Tidings Mission

    দেখিনি তাই বিশ্বাস করিনি (ইউহোন্না ২০:১৯-২৯)


    ইঞ্জিল শরীফে থোমার কথা মাত্র তিনবার লেখা আছে। দলনেতা এই আয়াতগুলো পড়ুন। ইউহোন্না ১১ঃ৭-৮, ১৬ এবং ১৪ঃ ৫-৬ আয়াত।

    ১. থোমার চরিত্রের ভাল দিকগুলো কি ছিল ? খারাপ দিকগুলোই বা কি ছিল ?
  • আপনার কি মনে হয় কেন হজরত ঈসা এমন একজন ব্যক্তিকে তাঁর সাহাবী হিসাবে নির্বাচন করেছিলেন ?
  • সেই রাতে থোমা কেন অন্যান্য সাহাবীদের সাথে ছিলেন না, এর বিভিন্ন কারণগুলো নিয়ে চিন্তা করুন।
    ২. সাহাবীদের মধ্যে কেউ কেউ ঈসা মশীহের শূন্য কবর এবং কাফনের টুকরো কাপড়গুলো দেখেছেন আর মগ্দলীনি মরিয়মের সাক্ষ্য শুনেছেন। তারা কি ঐ সময়ে হজরত ঈসার পুনরুত্থানের উপর ঈমান এনেছিলেন ? (১৯)
    ৩. তৌরাত, জবূর ও নবীদের কিতাব থেকে ভবিষ্যতবানী, ঈসা মশীহের নিজের ভবিষ্যতবানী এবং দশজন ঘনিষ্ট বন্ধুর অসংখ্য সাক্ষ্য : এই তিনটি প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কেন থোমা ঈসা মশীহের পুনরুত্থানে বিশ্বাস না করার সিদ্ধান্ত নিলেন ? (২৫)
  • কোনটি আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য হয় : থোমা সব প্রমাণগুলো পাওয়ার কারণে ঈমান এনেছিলেন , অথবা তারপরও তিনি বিশ্বাস করেননি ?
    ৪. না দেখে কোন বিষয়টি বিশ্বাস করা আপনার কাছে কঠিন মনে হয় ?
    ৫. ঐ সপ্তাহ জুড়ে, থোমাই একমাত্র সাহাবী ছিলেন যিনি অন্যান্য সাহাবীদের মত আনন্দ করার কোন কারণ খুঁজে পাননি। আপনার কি মনে হয় ঐ আটটি দিন তার কাছে কেমন লেগেছিল ?
  • কেন থোমা নিজের পথে না চলে অন্যান্য সাহাবীদের সাথেই থেকে গেলেন ?
  • ঐ সময়ে যদি থোমা তার বন্ধুদের সঙ্গ ছেড়ে চলে যেতেন , তাহলে কি হতো ?
  • আমাদের ঈসায়ী ঈমানের কিছু বিষয়ের উপর সন্দেহ থাকা অবস্থায় যদি আমরা ঈসায়ী সহভাগিতা ত্যাগ করি, তাহলে আমাদের কি হবে ?
    ৬. এক সপ্তাহ পরে যখন নিজের কথাগুলোই থোমা ঈসা মশীহের মুখ থেকে শুনতে পেলেন, তখন তার কেমন লাগছিল বলে আপনার মনে হয়? (২৭)
    ৭. সমস্ত ইঞ্জিল শরীফে থোমাই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ঈসা মশীহকে শুধু 'ইব্নুল্লাহ' না ডেকে স্বয়ং ' আল্লাহ' বলে সম্বোধন করেছেন (২৮)। ঈসা মশীহ যে সত্যিই আল্লাহ তা আমাদের জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ?
  • আপনি কি থোমার মত একইভাবে হজরত ঈসাকে স্বীকার করতে পারেন ?
    ৮. ২৯ আয়াত আজ ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে কি বলছে ?
  • আল্লাহর রহমত ও দয়া দেখা বা অভিজ্ঞতা নেবার আগেই কেন আমাদের ঈমান আনা প্রয়োজন ?
    ৯. কিতাবের এই অংশ অনুসারে, যে ঈসা মশীহের উপর ঈমান আনতে চায়, কিন্তু তা পারে না তার প্রতি ঈসা কেমন ব্যবহার করেন ?
  • যে ঈমান সন্দেহের সাথে সবসময় যুদ্ধ করছে আর যে ঈমানে কখনও সন্দেহ করে না- এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি ?

    সুখবর : হজরত ঈসা যখন ক্রুশের উপর ছিলেন তখন তিনি না দেখেই আল্লাহর উপর ঈমান ধরে রেখেছিলেন। ঐ মুহুর্তে তিনি কেবল আল্লাহর ক্রোধ বা রাগই দেখতে পেয়েছিলেন (মথি ২৭:৪৬)। এভাবেই তিনি সন্দেহপ্রবণ সকল থোমাদের শাস্তি নিজে বহন করেছিলেন। আর সেজন্যই তিনি আজ তাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম।



    © 2005 Glad Tidings Mission

    তুমি কি আমাকে মহব্বত কর? (ইউহোন্না ২১:১৫-১৯)


    পটভূমি ঃ লক্ষ্য করুন যে হজরত পিতর ঈসা মশীহকে যতবার অস্বীকার করেছেন, ঠিক ততবারই তিনি তাঁকে ভালবাসেন বলে স্বীকারও করেছেন। মথি ২৬:৩৩ আয়াত দেখুন।

    ১. মনে করুন আপনি আপনার কোন বন্ধুর সাথে প্রতারণা করেছেন। পরবতর্ীতে যখন তার সাথে আপনার দেখা হলো, সেই বন্ধু হঠাৎ আপনাকে জিজ্ঞাসা করলো, 'তুমি কি আমাকে অন্যদের চেয়ে বেশী মহব্বত কর ?' কি ধরণের উদ্দেশ্য নিয়ে বন্ধুটি ঐ প্রশ্নটি আপনাকে করেছে বলে মনে হয় ?
  • কেন ঈসা মশীহ হজরত পিতরকে যে তিনি অন্যদের চেয়ে তাঁকে বেশী মহব্বত করেন কিনা ? (১৫)
    ২. মূল গ্রীক ভাষায় দেখা যায় যে ঈসা মশীহ প্রশ্ন করতে গিয়ে বাক্যে যে 'ক্রিয়া' ব্যবহার করেছেন, পিতর তার ভিন্ন 'ক্রিয়া' ব্যবহার করেছেন। (ঈসা : তুমি কি সত্যিই আমাকে মহব্বত কর ? পিতর : হ্যাঁ, আমি আপনার বন্ধু।) পিতর কেন এই বাক্যের ক্রিয়া পরিবর্তন করলেন ? (১৫-১৬)
  • তৃতীয় প্রশ্ন করতে গিয়ে ঈসা মশীহ পিতর যে বাক্য ব্যবহার করেছিলেন সেই মত বললেন (তুমি কি আমার বন্ধু ?)। কেন তিনি তা করলেন ? (১৭)
    ৩. ঈসা মশীহ যখন পিতরকে তৃতীয়বার প্রশ্ন করলেন তখন পিতর কেন দুঃখিত হলেন ? এর বিভিন্ন কারণ খুঁজে বের করুন।
  • ঈসা মশীহকে অস্বীকার করার আগ পর্যন্ত পিতর ঈসার প্রতির তার মহব্বত সম্বন্ধে ১০০% নিশ্চিত ছিলেন। আপনার কি মনে হয়, পিতরের সেই সময়কার মহব্বত কি খাঁটি ছিল ? কারণগুলো চিন্তা করুন।
  • ঈসা মশীহের প্রতি এখন পিতরের মহব্বতের কারণ কি ?
    ৪. ঈসা মশীহ ঠিক একইভাবে আজ আপনাকে এই প্রশ্ন করছেন , 'তুমি কি আমাকে মহব্বত কর? এর উত্তর দেয়া আপনার পক্ষে কতটুকু সহজ বা কঠিন ? কেন ?
    ৫. কেন ঈসা সবার সামনে , বিশেষ করে সমস্ত সাহাবীদের সামনে এই প্রশ্ন করলেন ?
  • কেন ঈসা মশীহ পিতরকে তিনবার দায়িত্ব অর্পণ করলেন ?
  • যদি এই আলোচনা সেদিন না হতো, তাহলে কিভাবে পিতরের ভবিষ্যত জীবন সম্ভবত অপ্রকাশিত থেকে যেতো ?
    ৬. বাস্তবিক ঈসায়ী জামাতগুলোতে শিশু ভেড়াগুলো চড়ানো, ভেড়াগুলো লালন পালন এবং ভেড়াগুলো চড়ানোর কি তাৎপর্য রয়েছে ?
  • এই ঘটনা পরবতর্ীতে হজরত পিতরের তাবলিগে কতটুকু প্রভাব ফেলেছিল ?
  • ঈসায়ী সমাজের একজন 'রাখাল' এর কথা ভাবুন যিনি সত্যিকারভাবে ঈসা মশীহকে মহব্বত করেন না। তিনি কিভাবে তার পরিচর্যা কাজ করবেন ?
  • কিতাবের এই অংশ অনুসারে, ঈসা মশীহ যাদেরকে দায়িত্ব অর্পণ করেন , তারা কেমন ?
    ৭. মৃতু্যর ভয়ে হজরত পিতর মাত্র একমাস আগে ঈসা মশীহকে অস্বীকার করেছেন। ১৮ ও ১৯ আয়াতে হজরত ঈসা ভবিষ্যতবাণী করেছেন যে, তিনি শহীদ হয়ে মৃতু্যবরণ করবেন। আগে থেকে প্রকাশিত এই তকদীরে পিতর কিভাবে তার পরবতর্ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন বলে আপনার মনে হয় ?
  • পিতর কেন আর মৃতু্যভয়ে ভীত ছিলেন না ?
  • আপনি যদি এটি বুঝতে পারেন যে, শুধুমাত্র জীবন দিয়ে নয় কিন্তু নিজের মৃতু্য দিয়েও আপনাকে আল্লাহকে গৌরবান্বিত করতে হবে, তাহলে আপনি তা কিভাবে গ্রহণ করবেন?
    ৮. এমনও হতে পারে যে, পিতরের মত আপনিও হজরত ঈসার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। কিন্তু যা-ই হোক, ঈসা মশীহ আজ আপনাকে ঠিক যেভাবে পিতরকে আদেশ করেছিলেন সেই একইভাবে আদেশ করছেন ' আমাকে অনুসরণ কর'। আপনি তাঁকে কি উত্তর দেবেন ?

    © 2005 Glad Tidings Mission