১২. নিজের জীবন রক্ষা করা এবং তা হারানো (৮ঃ৩৪-৩৮)
পটভূমি ঃ ঈসা মশীহ এখানে প্রথমবারের মত 'ক্রুশ' এর কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথা অবশ্যই তাঁর সাহাবীদেরকে নাড়া দিয়েছিল, কারণ ক্রুশে টাঙ্গানো সেই সময়ে অত্যন্ত লজ্জাকর এবং কষ্টদায়ক ছিল যা একজনের কল্পনার বাইরে। সেই সময় যাদেরকে ক্রুশে দেয়া হতো তারা তাদের দোষের জন্য অসম্মানজনক ক্রুশটি যখন তারা নিজেরাই বহন করতো তখন অন্যেরা উপহাস করতো। ( মনে রাখুন যে আসল গ্রীক ভাষায় 'জীবন' এবং 'রুহ্' একই অর্থ বহন করে।)
১. আয়াত ৩৪-৩৮
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের গুরুত্ব /মূল্য কিভাবে বিবেচনা করা হয় ? (অন্য কথায়, একজনের জীবন রক্ষা করা এবং সাময়িক কথার পরিপ্রেক্ষিতে তা হারিয়ে ফেলা, এর অর্থ কি ?
কাকে ঈসা মশীহ এই কথাগুলি বলেছেন ?
এই কথাগুলো শোনার পূর্বে লোকেরা ঈসা মশীহের উম্মত হবার ক্ষেত্রে কি চিন্তা করতে পারে? শোনার পরেই বা কি চিন্তা করতে পারে ?
কোন ধরণের লোকেরা এই কথাগুলো শোনার পরও ঈসা মশীহকে অনুসরণ করার জন্য আগ্রহী হয় ?
ঈসা মশীহ যদি তাঁর আরো উম্মত বৃদ্ধি করতে চান, তবে কেন এরকম তিনি এরকম কথা বলেছেন ?
২. আয়াত ৩৪ - নিজেকে অস্বীকার করা।
সাহাবীদের জীবনে নিজেকে অস্বীকার করার অর্থ কি ?
আপনার বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ঈসার উম্মত হওয়ার জন্য নিজেকে অস্বীকার করা- এর অর্থ কি ?
(বৌদ্ধদের ধারণা অনুসারে এই প্রশ্ন করুন : ঈসায়ী এবং বৌদ্ধদের মধ্যে তাহলে পার্থক্য কি যখন এই ধরণের ধারণাগুলি আসে যে ' নিজেকে অস্বীকার কর'।
৩. আয়াত ৩৪ - নিজের ক্রুশ বহন করা।
আপনার কি মনে হয়: ঈসা মশীহ কি 'ক্রুশ' বলতে এখানে যে কোন ধরনের কষ্টের কথা বলেছেন অথবা শুধুমাত্র সেই কষ্টের কথা বলেছেন যা ঈসায়ী ঈমানের কারণে আমাদের জীবনে আসে ?
আপনার জীবন কিভাবে ক্রুশ ছাড়া থাকতে পারে ?
কেন ঈসা মশীহ চাননি যে তার কোন উম্মত ক্রুশবিহীন অবস্থায় থাকুক
এটি কি ধরণের পার্থক্য তৈরী করে যদি একজন কষ্টভোগকারী তার ক্রুশ শয়তানের কাছ থেকে নয়, কিম্বা কোন মানুষের কাছ থেকে নয়,বা কোন অন্ধ বিশ্বাসের কাছ থেকে নয় কিন্তু ঈসা মশীহের কাছ থেকে গ্রহণ করে ?
৪. আয়াত ৩৫ - নিজের জীবন রক্ষা করা এবং হারানো।
বিভিন্ন কি উপায়ে লোকেরা তাদের ক্রুশ হতে নিজেকে মুক্ত করতে চায় ?
একজন ব্যক্তি যার মূল লক্ষ্য হল সুখে থাকা, কিন্তু কেন সে সুখী হতে পারে না ?
ঈসা মশীহের উম্মতেরা কোথা থেকে তাদের ক্রুশ বহন করার শক্তি পায় ?
৫. আয়াত ৩৬-৩৭ - নিজের জীবন হারানো, নিজের জীবন রক্ষা করা।
একজন মানুষ তার জীবনের জন্য কি ধরণের জিনিষ হারায় ?
ঈসা মশীহ মানুষের রুহের বিনিময়ে কি মূল্য দান করেছেন ?
৬. আয়াত ৩৮ - ঈসা মশীহ ও তাঁর কথা নিয়ে লজ্জাবোধ করা।
অঈমানদার ভাইবোনেরা শুনতে পাচ্ছে এ রকম অবস্থায় থাকলে পাক কিতাবের কোন কথাটি আপনার জন্য জোরে বলা কঠিন হয় ?
কেন ঈসা মশীহ নিজে সেই সমস্ত ঈসায়ীদের নিয়ে লজ্জিত হবেন যাদের এই কালের অবিশ্বস্ত ও গোনাহ্পূর্ণ লোকদের মধ্যে তাঁর কালাম নিয়ে যুদ্ধ করার সাহস নেই ?
ঈসা মশীহ যদি একজন ব্যক্তির প্রতি লজ্জিত হন তাহলে তার কি হবে ?
৭. সুখবর - প্রশ্নাবলী
একজন ক্রুশ বহনকারী ঈসায়ীর কাছে এটি কি অর্থ বহন করে যে ঈসা মশীহ তাঁর নিজের ক্রুশ বহন করে এই একই পথে আগেই হেঁটেছেন ?
ঈসা মশীহ নিজের ক্রুশ বহন করার পরপরই তাঁর জীবন/রুহ্ হারিয়েছিলেন, কেন?
Version for printing
Downloads
Contact us
Web-master